ইরান একযোগে দুই দফায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। প্রথম দফায় ২২টি এবং দ্বিতীয় দফায় আরও ৫টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। দুই দফার মধ্যে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র আধা ঘণ্টা। এই নজিরবিহীন হামলার পর ইসরায়েল জরুরি ভিত্তিতে নিজেদের আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করে। খবর আল জাজিরার।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল গোলান মালভূমি, আপার গালিলি অঞ্চল, তেল আবিব, হাইফা ও উপকূলীয় শহরগুলো। অন্তত ১০টি স্থানে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র বা শার্পনেল আঘাত হেনেছে। এই হামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জরুরি উদ্ধারকর্মীরা এখনো ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত কম ব্যবধানে দুই দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এই প্রথম। সাধারণত একাধিক দফার মধ্যে কয়েক ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান থাকে।
এদিকে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন বিমান হামলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে গণতন্ত্রকে উপেক্ষা করেছেন এবং দেশকে একটি বিপর্যয়কর যুদ্ধে ঠেলে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “কূটনৈতিক পথ না নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত শুধু অঞ্চল নয়, পুরো বিশ্বের জন্যই হুমকি।”
অন্যদিকে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহল বলছে, তিনি আফগানিস্তান ও ইরাকের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে স্থল অভিযান নয়, সীমিত আকাশ হামলার কৌশল বেছে নিয়েছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।