আগামী ১ আগস্ট থেকে আমদানিকৃত পণ্যে ৩০% শুল্ক আরোপের ট্রাম্পের ঘোষণায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও মেক্সিকো তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। উভয় পক্ষই ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে "অন্যায্য" ও "বাণিজ্য সম্পর্কের বিরুদ্ধে হুমকি" হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেইন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "প্রয়োজনে আমরা সমান পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।" তিনি বলেন, ইইউ ১ আগস্টের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়, তবে ইইউর স্বার্থ রক্ষায় কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম জানিয়েছেন, তাদের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনও আলোচনা হতে পারে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমাধান খুঁজে নেব।”
ট্রাম্প ইউরোপ, কানাডা, ব্রাজিল, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তার মতে, ইইউ ও অন্যান্য বাণিজ্য অংশীদারদের 'অন্যায্য' নীতিই দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন বাণিজ্য ঘাটতির জন্য দায়ী।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটির প্রধান বার্ন্ড ল্যাঞ্জ বলেন, “এই শুল্ক হুমকি আলোচনা প্রক্রিয়ার মুখে চড়ের মতো।” ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁও ট্রাম্পের ঘোষণার বিরুদ্ধে ‘গভীর আপত্তি’ জানিয়েছেন।
এদিকে, জার্মান অটোমোবাইল শিল্প ও অন্যান্য বাণিজ্যিক গোষ্ঠীগুলো এই শুল্ক আরোপে উৎপাদন ব্যয় ও সংকট বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত বিশ্ববাণিজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।