যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দেওয়া এবং দেশটির নাগরিকদের ওপর চলমান দমন-পীড়নে সহায়তাকারী ১৮টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই ঘোষণা দেয়।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে আর্থিক খাত ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে একটি কোম্পানিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করে সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধা দেওয়ার জন্য।

ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেলে ইরানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না। পাশাপাশি, ইরানের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর চেষ্টা এবং অবৈধ বিদেশি আয় দেশে ফেরানোর উদ্যোগ ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সতর্ক করে বলেছে, নিষিদ্ধ সংস্থাগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে ইরানি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করলে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে। আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

এই উদ্যোগ মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ (ওএফএসি) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। নির্বাহী আদেশ (ইও) ১৩৯০২ অনুযায়ী, ইরানের আর্থিক, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতকে লক্ষ্য করে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা প্রেসিডেন্সিয়াল স্মারকলিপি ২ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যা ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের নির্দেশ দেয়।

 

Walton Ads