যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদের প্রচারণায় বারবার বলেছিলেন— ইউক্রেনের যুদ্ধ তিনি “২৪ ঘণ্টার মধ্যে” শেষ করে ফেলবেন। কিন্তু ২০ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার পর বাস্তবতা পাল্টে গেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অনড় অবস্থান শান্তি চুক্তির পথকে আরও জটিল করে তুলেছে।
আগামী শুক্রবার আলাস্কায় ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে হতে যাচ্ছে এক গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ বৈঠক— যা চলমান এই যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাম্প নিজেই বলেছেন, “প্রথম দুই মিনিটেই আমি বুঝে যাব, চুক্তি সম্ভব কি না।”
দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে পুতিনের প্রতি বেশ নরম মনোভাব দেখালেও, তাঁর অনড় অবস্থান এখন ট্রাম্পের হতাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে এক সংঘর্ষের পর ট্রাম্প জেলেনস্কির প্রতি কিছুটা নরম হন এবং ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন।
এদিকে, রাশিয়ার বিশাল সেনাবাহিনী বর্তমানে ৬২০ মাইল দীর্ঘ সামরিক সীমান্তজুড়ে চাপ বাড়াচ্ছে। এই যুদ্ধে দুই পক্ষেরই হাজার হাজার সৈন্য প্রাণ হারিয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার মিশনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু জুন মাসেই নিহত হয়েছেন ২৩২ জন এবং আহত হয়েছেন ১,৩৪৩ জন— যা গত তিন বছরে এক মাসে সর্বোচ্চ।