ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে এবার সরাসরি রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের খেলা! প্রথমবারের মতো বেলারুশে মোতায়েন হতে যাচ্ছে রাশিয়ার সবচেয়ে প্রাণঘাতী 'ওরেশনিক' ক্ষেপণাস্ত্র। এই অস্ত্র ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট মাত্র কয়েক মিনিটে ধ্বংস করতে সক্ষম। আর এই নিয়ে শুরু হচ্ছে রাশিয়া-বেলারুশের যৌথ সামরিক মহড়া 'জাপাদ-২০২৫'।

বেলারুশ কেন রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলালো?

বেলারুশ দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার কাছাকাছি মিত্র। ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ও বেলারুশ রাশিয়াকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়েছিল। এবার আরও একধাপ এগিয়ে, সরাসরি রাশিয়ার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়ায় অংশ নিচ্ছে তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মহড়া শুধু অনুশীলন নয়—এটি পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য একটি স্পষ্ট হুমকি।

পোল্যান্ড-ইউক্রেন থেকে বাল্টিক দেশ—সবাই কাঁপছে!

এই খবরেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে পোল্যান্ড, ইউক্রেন, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়ায়। ন্যাটো ইতিমধ্যেই তাদের সীমান্তে সেনা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করছে। রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে তারা দেখছে নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতার সূচনা হিসেবে।

বেলারুশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি: "পশ্চিমের নড়াচড়া নজরে!"

বেলারুশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভিক্টর খ্রেনিন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, "আমরা পশ্চিম ও উত্তর সীমান্তের প্রতিটি কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করছি। শুধু বসে বসে তাদের সামরিক উস্কানি দেখবো না।"

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা: "ইউরোপে নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে!"

রাশিয়ার এই কৌশল ন্যাটোকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার সমান। ইউক্রেন যুদ্ধের পর উত্তপ্ত পূর্ব ইউরোপে এবার পরমাণু অস্ত্রের মহড়া পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। ন্যাটো ইতিমধ্যেই সতর্ক—কিন্তু রাশিয়াও পিছপা নয়।

রাশিয়ার পরিকল্পনা: বেলারুশে স্থায়ী ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন!

রাশিয়া ইতিমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে বেলারুশে স্থায়ীভাবে 'ওরেশনিক' ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে। এর মানে হলো, ন্যাটোর কোনো টার্গেটই এখন নিরাপদ নয়।

কী হবে

পশ্চিমা দেশগুলো এখন ন্যাটোর শক্তি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিয়েছে। কিন্তু রাশিয়া যেন একটুও পিছু হটতে রাজি নয়। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই বিশ্ব এখন দেখছে, কে আগে কৌশলগত সুবিধা নিতে পারে!

 

Walton Ads