মাত্র একদিনে গাজায় চারটি ধ্বংসাত্মক হামলা চালালো ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো। আল কুদস, আল কাসাম ও অন্যান্য ব্রিগেড মিলিত হয়ে ইসরাইলি সেনা এবং সামরিক যান লক্ষ্য করে মর্টার ও রকেট হামলা চালিয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক ভয়, ইসরাইল নতুন অভিযান শুরু করেছে এবং ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে সরানোর পরিকল্পনা করছে।
প্রবন্ধ:
গাজায় একের পর এক পাল্টা আঘাত হানা হচ্ছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো অন্তত চারটি হামলার দাবি করেছে।
বুধবার টেলিগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের সামরিক শাখা আল কুদস ব্রিগেড জানিয়েছে, তারা আবু আলী মোস্তফা ব্রিগেড-এর সঙ্গে যৌথভাবে ইসরাইলি সেনাদের ছাউনি এবং সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে মর্টার হামলা চালিয়েছে। আবু আলী মোস্তফা ব্রিগেড হলো পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন (PFLP)-এর সামরিক শাখা।
আল কুদস আরও জানিয়েছে, তারা হামাসের সামরিক শাখা আল কাসাম ব্রিগেডের সঙ্গেও যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছে। সোমবার খান ইউনুসের সাতার এলাকায় ইসরাইলি সেনা এবং সামরিক যান লক্ষ্য করে ভারী মর্টার হামলা চালানো হয়। একই অঞ্চলে আল নাসের সালাহ আল দিন ব্রিগেড—পপুলার রেজিস্ট্যান্স কমিটির সামরিক শাখা—৬০ মিলিমিটার মর্টার দিয়ে আঘাত করেছে।
আল কাসামের দাবি, গাজার আল সুজাইয়া এলাকায় ইসরাইলি ট্যাংক মেরকাভা-কে স্থানীয়ভাবে তৈরি রকেটচালিত গ্রেনেড ‘ইয়াসিন ১০৫’ দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। আল কুদস জানিয়েছে, খান ইউনুসের আল কাতিবা এলাকায় ‘খাকেব’ বিস্ফোরক দিয়ে একটি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে।
এদিকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) জানিয়েছে, ১২ আগস্ট থেকে তারা গাজার জৈতুন এলাকায় নতুন অভিযান চালাচ্ছে। এটি ইসরাইলি মন্ত্রিসভার অনুমোদনপ্রাপ্ত। একই সঙ্গে নেতানিয়াহু প্রশাসন গাজা থেকে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
এখন পরিস্থিতি অতি উত্তপ্ত এবং অঞ্চলটিতে আরও সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।