ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ‘গ্রেটার ইসরাইল’ পরিকল্পনা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র। কাতার সরাসরি এই নীতিকে ‘অহংকারী ও উসকানিমূলক’ আখ্যা দিয়ে সতর্ক করেছে। কাতার জানিয়েছে, এমন পদক্ষেপ অঞ্চলে সহিংসতা বাড়াতে পারে এবং আরব জাতি ও জনগণের ন্যায্য অধিকারকে কখনো কেড়ে নিতে পারবে না।
প্রবন্ধ:
কাতার সরাসরি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরাইল’ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে—নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য ইসরাইলের ‘অহংকারী’ নীতিরই অংশ, যা বরং মধ্যপ্রাচ্যের সংকট আরও ঘনীভূত করছে। তারা বলেছে, এটি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
কাতার সতর্ক করে জানিয়েছে—এ ধরনের বক্তব্য অঞ্চলে সহিংসতা এবং বিশৃঙ্খলা বাড়াতে পারে। পাশাপাশি তারা জোর দিয়ে উল্লেখ করেছে, এ ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য কখনোই আরব জাতি ও জনগণের ন্যায্য অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।
বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানানো হয়েছে একসাথে এগিয়ে এসে এমন উসকানিমূলক আচরণ থামাতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সঙ্গত, টেকসই ও সর্বজনীন শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে।
‘গ্রেটার ইসরাইল’ পরিকল্পনা নিয়ে এর আগেও গুঞ্জন ছিল। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু নিজেই তা খোলাসা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন তাঁর কাছে একটি ‘ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক মিশন’।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছেন—বর্তমান ইসরাইলের সীমানার সঙ্গে যুক্ত করা হবে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত এলাকা। এমনকি সম্ভব হলে জর্ডান ও মিশরের কিছু অংশও এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
এতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।