গাজার রাফাহ সীমান্তে মরুভূমির মধ্যে সারি সারি ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে। ভেতরে ভরে রাখা হয়েছে খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম আর পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র। কিন্তু ইসরায়েলের অনুমতি না মেলায় দিনের পর দিন সেগুলো গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না।

এএফপি’র প্রতিবেদন বলছে, ইসরায়েল কেবল অল্প কিছু ট্রাককে ঢুকতে দিচ্ছে। অথচ যুদ্ধের দুই বছর পেরিয়ে ফিলিস্তিনে এখন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, বিশুদ্ধ পানি আর ওষুধের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
জাতিসংঘের চার কর্মকর্তা, কয়েকজন ট্রাকচালক ও মিশরীয় রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা নিশ্চিত করেছেন—“দ্বৈত-ব্যবহার” হতে পারে এমন অজুহাতে ইসরায়েল বারবার চালান আটকে দিচ্ছে। অর্থাৎ যে জিনিসগুলো সামরিক কাজে লাগতে পারে, সেগুলো ঢুকতে দিচ্ছে না।

কিন্তু বাস্তবে অনেক অদ্ভুত কারণে সাহায্য ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এক স্বেচ্ছাসেবক বলেন, “কোনো প্যালেট বাঁকা হয়ে গেলে, বা ক্লিং ফিল্ম সঠিকভাবে মোড়ানো না থাকলে পুরো চালান ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
গাজায় জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর বড় ঘাটতির মধ্যেও একটি ট্রাক ভর্তি আইসিইউ সরঞ্জাম আটকে আছে। কারণ? এর একটি প্যালেট কাঠ নয়, প্লাস্টিকের তৈরি!

ফরাসি দাতব্য সংস্থা এমএসএফ-এর কর্মকর্তা আমান্দে বাজেরোল হতাশা প্রকাশ করে বলেন—“কিছু উপকরণ কেবল ধাতব বলে প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছে না!”

মিশরীয় রেড ক্রিসেন্ট প্রধান আমাল ইমাম বলেছেন, জাতিসংঘের অনুমোদন, কোগ্যাট (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা) এবং অন্যান্য সব পক্ষের অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও ট্রাকগুলো আটকে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি যোগ করেন, “মানবিক সাহায্যের প্রতিটি ইঞ্চিতে এমন বাধা জীবনে কখনো দেখিনি।
 

Walton Ads