যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠক করেছে সিরিয়া ও ইসরাইল। গত মঙ্গলবার ১৯ আগস্ট ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইসরাইলি কূটনৈতিক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল শাইবানি।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, বৈঠকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের পর সৃষ্ট ‘আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

উভয় পক্ষ ১৯৭৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুনঃস্থাপনের কথাও আলোচনা করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে সিরিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে একটি বাফার জোন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

তবে বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়ে সিরিয়া বা ইসরাইল কেউই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা এপিকে জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য’-এর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেও ওয়াশিংটন সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য চাপ দিচ্ছে। এতে সিরিয়ার অভ্যন্তরে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ইসরাইলসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক নিশ্চিত করাও অন্তর্ভুক্ত।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, “ইসরাইল এবং তার প্রতিবেশীদের মধ্যে স্থায়ী স্থিতিশীলতা এবং শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য যেকোনো প্রচেষ্টাকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিচ্ছে। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে চাই।
 

Walton Ads