হুতিদের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ইসরায়েলের। ইয়েমেন থেকে ছোড়া এই ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে তেল আবিবের কাছাকাছি গিয়ে পড়েছে। ফলে এবার জরুরি ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্রটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

শনিবার স্থানীয় সময় ইসরায়েলের অন্যতম শীর্ষ পত্রিকা ইয়েদিওথ আহরোনোথ এর অনলাইন সংস্করণ ওয়াইনেট নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিবের কাছাকাছি গিয়ে অবতরণ করে। এখন সেটির গঠন, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা নিয়ে গভীর অনুসন্ধান চালাচ্ছে ইসরায়েলি বিশেষজ্ঞরা।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—ক্ষেপণাস্ত্রটিতে কি ক্লাস্টার গোলাবারুদ ছিল? যদি থাকে, তবে তা ইসরায়েলের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, মাঝ আকাশেই ক্ষেপণাস্ত্রটি টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফুটেজে দেখা প্রজেক্টাইল আসলেই ইয়েমেনের হুথিদের পাঠানো অস্ত্র হতে পারে। তবে এখনও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করছে সরকার।

ইয়েমেনি হুথি বাহিনী এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, তারা ইসরায়েলের ওপর আরও বড় ধরনের হামলা চালাবে। লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তারা বেছে নিয়েছে বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, তেল আবিবের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং তেল আবিব থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আশকেলন শহরের সংবেদনশীল স্থাপনাগুলো।

ইসরায়েল যেই ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষা করছে, সেটিকে হুথিরা ‘ফিলিস্তিনি-২’ ব্যালিস্টিক মিসাইল নামে অভিহিত করেছে। আর এই নতুন মিসাইলের ক্ষমতাই এখন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
 

Walton Ads