ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে ৫০ হাজার সামরিক ড্রোন তৈরির ঘোষণা দিয়েছে তাইওয়ান।
আগামী দুই বছরের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হবে আরও শক্তিশালী এবং বিদেশি সরবরাহের ওপর নির্ভরশীলতা অনেকটাই কমে আসবে।

ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহের-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, তাইওয়ান সরকার স্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে—দেশীয় নির্মাতাদের মাধ্যমেই প্রায় ৫০ হাজার ড্রোন তৈরি বা সংগ্রহ করা হবে।

একজন শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, “ইউক্রেন যুদ্ধ দেখিয়েছে, আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনই মূল গেমচেঞ্জার। তাইওয়ানের সেনাদেরও এই বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।”

সেই লক্ষ্যেই প্রথমবারের মতো মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণে যুক্ত করা হয়েছে বিশেষায়িত ড্রোন ট্রেনিং। শুধু তাই নয়, উন্নত ড্রোনের নকশা ও উৎপাদনে সহায়তার জন্য দেশীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে একত্রিত করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, এটি তাইওয়ানের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ—যার উদ্দেশ্য বিদেশি সরবরাহ শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে প্রতিরক্ষায় পূর্ণ স্বনির্ভরতা অর্জন করা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা এখন তাইওয়ানকে নতুন কৌশলগত মোড় দিয়েছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ড্রোন বাহিনী গড়ে তোলা তাইওয়ানের জন্য হবে ‘গেমচেঞ্জার’ সিদ্ধান্ত।
 

Walton Ads