জার্মান রাজনীতিবিদ ক্রিস্টোফ হর্স্টেল ইরানের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করেছেন। পার্সটুডে জানাচ্ছে, তিনি বলেছেন, “ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ইরান বিশ্বব্যাপী সমীকরণে একটি অতুলনীয় অবস্থান অর্জন করেছে এবং অনেক দেশের সম্মান ও আস্থা পেয়েছে।”
হর্স্টেল আরও বলেন, ইরান তার সম্পদ ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করছে। “ইরান সঙ্গতিপূর্ণ কূটনীতি ও বিজ্ঞ শাসনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্থিতিশীল পদক্ষেপ নিচ্ছে।”
তিনি সতর্ক করেছেন, ইসলামী বিপ্লবের বিজয়ের পর ইরান ইসরাইল ও আমেরিকার হুমকির লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে, তাই বর্তমান ইরানকে আরও বেশি সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে হবে। হর্স্টেল বলেন, “ইহুদিবাদী ইসরাইল মানব ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা এবং নৃশংস দমন-পীড়নের অংশীদার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের অপরাধকে সমর্থন করতে দ্বিধা করে না।”
হর্স্টেল ইরানের নীতির সাফল্যও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “তেহরানে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সাবেক প্রধান ইসমাইল হানিয়ার হত্যা প্রমাণ করে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র শত্রুদের হতাশার মুখে ঠেলে দিতে সক্ষম।”
তিনি আরও যোগ করেন, “ফিলিস্তিনের অধিকার এবং স্বাধীনতার প্রতি ইরানের সমর্থন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে। আমার মতে, ইরান ও হিজবুল্লাহ ছাড়া ফিলিস্তিন বহু বছর আগে অদৃশ্য হয়ে যেত।”
হর্স্টেল মনে করেন, ইরান বিশ্বজুড়ে নতুন বন্ধু ও সমর্থনকারী তৈরি করছে, যা ফিলিস্তিনের জন্য নতুন আশা তৈরি করছে। তবে এই নীতির মূল্যও অত্যন্ত ভারী।