চীনে অনুষ্ঠিত এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আলোচনায় অংশ নেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। বৈঠকে উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক থেকে উদ্ভূত বৈশ্বিক বাণিজ্য সংকট ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ।
এমন সময়ে ভারতের জন্য নতুন করে চাপের বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সরাসরি মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক এখনো “একতরফা” এবং শুল্কের বোঝা আরও বাড়ানো হতে পারে।
শুল্ক দ্বিগুণ, বিপাকে ভারত
গত মাসের শুরুতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির অভিযোগে ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ফলে মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্যের মোট শুল্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তে ভারতের রপ্তানি খাতে বড় ধাক্কা লেগেছে।
বিকল্প বাজার খুঁজতে এখন ইউরোপের দিকে নজর দিচ্ছে দিল্লি। তবে সেখানেও ট্রাম্প প্রশাসন নানা ফাঁদ তৈরি করে ভারতকে চাপে ফেলতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “ভারত আমাদের সঙ্গে বিপুল পরিমাণে ব্যবসা করে। তারা আমাদের দেশে প্রচুর পণ্য বিক্রি করে, কিন্তু আমরা ভারতে খুব সামান্যই বিক্রি করি। সম্পর্কটা পুরোপুরি একতরফা।
ভারতকে ‘শুল্ক অপব্যবহারকারী’ হিসেবেও আখ্যা দেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “ভারত তার অধিকাংশ তেল আর সামরিক সরঞ্জাম রাশিয়া থেকে কেনে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে খুব কম নেয়। তারা এখন শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে, কিন্তু দেরি হয়ে গেছে। এটা বহু বছর আগেই করা উচিত ছিল।