গাজায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় অনাহার ও অপুষ্টিতে ১৩ ফিলিস্তিনি মারা গেছেন, যাদের মধ্যে তিনটি শিশু রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এভাবে মোট ৩৬১ জন ক্ষুধায় মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১৩০ শিশু। প্রতিদিনই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।

শুধু তাই নয়, ভোর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজন সাহায্য চাইতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। আমাদের সূত্র জানিয়েছে, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অসংখ্য মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, তাদের দেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে। শুধু তাই নয়, ইসরায়েলের ওপর তারা নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করছে। এই সিদ্ধান্তকে ইসরায়েলের জন্য বড় কূটনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গাজা সিটিতে ইসরায়েলি সেনারা অগ্রসর হতে থাকায় হাজার হাজার মানুষ ঘর ছেড়ে পালাচ্ছে। অথচ কোথাও নিরাপদ জায়গা নেই। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৩ হাজার ৫৫৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

ইসরায়েলি সেনারা দাবি করছে, তারা হামাসের দুই শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে আছেন আহমদ আবু দেইফ, যিনি ২০২৪ সাল থেকে জেইতুন ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন। এছাড়া নিহত হয়েছেন তালেব সিদকি আবু আতিওয়ি, যিনি নুখবা বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন।

এদিকে, ইসরায়েলের বিরোধী দল ইয়িসরায়েল বেইতেনুর নেতা অ্যাভিগডর লিবারম্যান বেলজিয়ামের এই সিদ্ধান্তের জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক অদক্ষতার কারণে বিশ্বের চোখের সামনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র বাস্তবে পরিণত হচ্ছে। 
 

Walton Ads