ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সদস্য দেশগুলো নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করবে। অন্যদিকে তিউনিসিয়ায় ফরাসি দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্সকে তলব করা হয়েছে, আর ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের নতুন সামরিক অভিযানের জবাবে হামাস ঘোষণা করেছে নিজেদের পাল্টা অভিযান।
এসব ছাড়াও অধিকৃত অঞ্চলে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর সফরের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। একইসঙ্গে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরান–আইএইএ আলোচনার নতুন কাঠামো এবং পশ্চিমাদের প্রতি রাশিয়ার তীব্র আস্থাহীনতার খবরও এসেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বুধবার রাতে জানান, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সাথে সহযোগিতার জন্য নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে। তার ভাষায়, “বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরনো চুক্তি যথেষ্ট নয়, নতুন কাঠামোতেই সব শর্ত ঠিক করতে হবে।” আইএইএও বিষয়টি মেনে নিয়েছে।
ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি মিখাইল উলিয়ানভ বলেন, “পশ্চিমাদের বিশ্বাস করা যায় না। তাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির উপর নির্ভর করলে ভুল হবে।” ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আইএইএ মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির সাথে আলোচনার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিউনিসিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ফ্রান্সের মার্সেই শহরে দেশটির নাগরিক আবদেলকাদের ধিবি ফরাসি পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্টের নির্দেশে বুধবার রাতে ফরাসি দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্সকে তলব করা হয়েছে।
তিউনিসিয়া এই হত্যাকে “অযৌক্তিক” বলে উল্লেখ করে দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ফ্রান্সকে অনুরোধ করেছে।
ইরানের প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী সহায়তা মন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ বলেছেন, এসসিও সদস্যরা বর্তমানে সন্ত্রাসবাদ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে একসাথে কাজ করছে। এই সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দ্রুত তেল আবিব সফর করতে চান। তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে জানিয়েছেন, ফ্রান্স যদি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা বাদ না দেয়, তাহলে এই বৈঠক সম্ভব নয়।
ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডস ঘোষণা করেছে, ইসরায়েলের ‘গিদিয়নের রথ ২’ অভিযানের জবাবে তারা শুরু করছে নতুন অভিযান—‘মুসার লাঠি’।
আল-জাজিরাকে এক কাসসাম কমান্ডার বলেন, “আমরা ইসরায়েলি সেনাদের মোকাবেলায় নতুন করে ‘মুসার লাঠি’ অভিযান চালাবো।