দোহায় ইসরাইলের হামলার মূল টার্গেট ছিলেন হামাসের সিনিয়র নেতা খলিল আল-হাইয়া। কিন্তু এই নেতা আসলে কে? আর হামাসের ভেতরে তাঁর আসল ভূমিকা বা ক্ষমতা কতটা?

আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন বলছে, ইসমাইল হানিয়া ও ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর পর থেকেই আল-হাইয়া হামাসের ভেতরে অনেক বেশি সক্রিয় এবং শক্তিশালী ভূমিকায় উঠে এসেছেন। বর্তমানে তিনি দোহা থেকে গাজার নির্বাসিত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গাজা সংকট নিয়ে শান্তি আলোচনায় তিনিই হামাসের প্রধান সমঝোতাকারী।

১৯৬০ সালে গাজায় জন্ম নেওয়া খলিল আল-হাইয়া ১৯৮৭ সালে হামাস প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই সংগঠনটির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পাড়ি দিয়ে তিনি হামাসের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতায় পরিণত হয়েছেন।

নিজের জীবনেও অনেক Tragedies দেখেছেন তিনি। ইসরাইলের বিভিন্ন Military Operation-এ তাঁর পরিবারের অনেক সদস্যকে হারিয়েছেন তিনি।

২০০৭ সালে, গাজার আল-সেজাইয়া এলাকায় তাঁর বাড়িতে ইসরাইলি একটি বিমান হামলা চালায়। সেই হামলায় তাঁর বেশ কয়েকজন Close Relative নিহত হন।

এরপর ২০১৪ সালের যুদ্ধে তাঁর বড় ছেলে ওসামার বাড়িতে Israeli Bombing হয়। সেখানে ওসামা, তাঁর Wife এবং তাদের তিন ছোট্ট শিশু সন্তান সবাই মারা যান। তবে সেদিন ভাগ্যক্রমে আল-হাইয়া বাড়িতে না থাকায় বেঁচে যান।

কয়েক বছর আগে তিনি গাজা ছেড়ে কাতারের দোহায় চলে আসেন। সেখান থেকেই তিনি হামাসের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আরব ও মুসলিম বিশ্বের সাথে হামাসের Contact-এর ক্ষেত্রে তিনি একটি Central Figure।

ইসরাইল দাবি করেছে, গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে যে ভয়াবহ হামলা হয়েছিল, তার অন্যতম Mastermind ছিলেন এই খলিল আল-হাইয়াই। সেই Accusation-এর basis-তেই তাঁকে Target করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে হামাসের পক্ষ থেকে রয়টার্সকে দেওয়া এক তথ্যে জানানো হয়েছে, তিনি এই হামলা থেকে অক্ষত আছেন এবং বেঁচে গেছেন।

 

Walton Ads