দোহায় আজ এবং সোমবার কাতার আয়োজন করছে একটি জরুরি শীর্ষ সম্মেলন, যেখানে অংশ নেবেন আরব ও মুসলিম বিশ্বের প্রধান নেতারা। সম্মেলনের লক্ষ্য হচ্ছে ইসরায়েলের “কাপুরুষোচিত” হামলার পর পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ।
শনিবার গাজা জুড়ে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৬২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪৯ জনই গাজা শহরে মারা গেছেন।
গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তীব্র ও অবিরাম বোমাবর্ষণের কারণে শনিবার ৬,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।
গাজা শহরে ইসরায়েলি বাহিনী গুলিবর্ষণ চালিয়েছে এবং নৌকা থেকেও গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।
আজ সকালে গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতালের কাছে একটি গাড়িতে হামলায় কমপক্ষে একজন নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
গাজা শহরের পূর্বাঞ্চলে গোলাবর্ষণ ও গুলিবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। শহরের পশ্চিমাঞ্চলে নৌকা থেকে গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
দক্ষিণ গাজা, বিশেষ করে খান ইউনিসের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভবন ধ্বংসের খবর পাওয়া গেছে।
আল-শিফা হাসপাতালের আশেপাশের এলাকার নিরাপত্তা কড়া করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, গাজায় চলমান এই ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষিতে মুসলিম নেতাদের এই শীর্ষ সম্মেলন নীতি নির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।