সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানিয়েছে, বিদেশে জরুরি পরিস্থিতি বা বিপর্যয়ের সময় গোল্ডেন ভিসাধারী প্রবাসীরা এখন সরকারি সহায়তা পাবেন। একই সঙ্গে বিদেশে কোনও গোল্ডেন ভিসাধারী মারা গেলে তার মরদেহ ফিরিয়ে আনা এবং দাফনের ব্যবস্থা এই সেবার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রবাসীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে একটি বিশেষ হটলাইন। এই হটলাইনের মাধ্যমে প্রবাসীরা সরাসরি মন্ত্রণালয়ের কল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের উদ্ধার, চিকিৎসা এবং অন্যান্য সহায়তা কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে প্রবাসীরা দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে পারেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদেশে গোল্ডেন ভিসাধারীর মৃত্যু হলে তার মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য বিশেষ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। এতে পরিবারের সদস্যরা সহজে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারবেন এবং মানসিক সহায়তাও পাবেন।
যদি কোনও গোল্ডেন ভিসাধারীর পাসপোর্ট বিদেশে হারিয়ে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে ‘ইলেকট্রনিক রিটার্ন ডকুমেন্ট’ প্রদান করা হবে। এই নথির মাধ্যমে প্রবাসী সহজেই ইউএই-তে ফিরে আসতে পারবেন। নথি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও পাওয়া যাবে।
২০১৯ সালে চালু হওয়া ইউএই-এর ‘গোল্ডেন ভিসা’ হলো দীর্ঘমেয়াদি আবাসিক ভিসা, যার মাধ্যমে নাগরিক স্পনসর বা নিয়োগকর্তা ছাড়াই দেশটিতে বসবাস, কাজ এবং পড়াশোনা করতে পারেন।
এই ভিসার আওতায় বিনিয়োগকারী, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, মেধাবী শিক্ষার্থী, স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান খাতের বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ আবেদন করতে পারেন। সম্প্রতি দুবাই গোল্ডেন ভিসা প্রদান করছে ব্যতিক্রমী গেমার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের। রাস আল খাইমাহ ঘোষণা করেছে, তারা অসাধারণ শিক্ষক শ্রেণির নাগরিকদের জন্য এই ভিসা প্রদান করবে। অন্যদিকে, আবুধাবি ২০২৪ সালে সুপারইট মালিকদের জন্য সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়েছে।