ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর দমন-পীড়ন চলছে আর এর মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বড়সড় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের বিরুদ্ধে ‘খুব শক্তিশালী বিকল্প’ নিয়ে ভাবছে – এর মধ্যে সরাসরি সামরিক হামলার সম্ভাবনাও রয়েছে!
রোববার (১১ জানুয়ারি) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন,
“আমরা পুরো বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। আমাদের সেনাবাহিনী এটা পর্যালোচনা করছে। আমরা কিছু খুব শক্তিশালী বিকল্প নিয়ে ভাবছি। শিগগিরই একটা সিদ্ধান্ত নেব।”
এখানেই শেষ নয়! ট্রাম্প আরও জানান, তার সামরিক হামলার হুমকির পর ইরানের নেতারা ফোন করে যোগাযোগ করেছেন।
“ইরানের লোকেরা ফোন করেছে। একটা বৈঠকের ব্যবস্থা হচ্ছে… তারা আলোচনা করতে চায়।”
তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “বৈঠকের আগেই আমাদের কিছু পদক্ষেপ নিতে হতে পারে!”
এদিকে, একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন – মঙ্গলবার ট্রাম্প তার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে ইরান ইস্যুতে ঠিক কী করা হবে তা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যেসব বিকল্প বিবেচনা করছে তার মধ্যে আছে:
সরাসরি সামরিক হামলা
গোপন সাইবার অস্ত্র ব্যবহার
নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করা
অনলাইনে সরকারবিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা দেওয়া
ইরানের রাস্তায় বিক্ষোভকারীরা এখনো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। দমন-পীড়নের খবর আসছে প্রতিনিয়ত। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয় – সেটাই এখন দেখার বিষয়!
এখানে কিছু ছবি দেখুন যা বর্তমান পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরছে: