যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার পুনর্গঠন দেখভালের জন্য নতুন গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ নিয়ে বলেছেন, এটা ভবিষ্যতে জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবেও কাজ করতে পারে।

তার এই কথা ঘিরে মিত্র দেশগুলো আর আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের মধ্যে নতুন করে চিন্তা বাড়ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর দিয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, “জাতিসংঘ খুব একটা সহায়ক সংস্থা হিসেবে কার্যকর নয়। এর অনেক সম্ভাবনা আছে ঠিকই, কিন্তু তারা কখনো সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি।”
তিনি আরও দাবি করেন, জাতিসংঘ যেসব বড় সংঘাত সমাধান করতে পারেনি, সেগুলোর অনেকগুলো তিনি নিজের উদ্যোগে ঠিক করে ফেলেছেন।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সদস্যদের মধ্যে আছেন ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ আর সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। 

খসড়া সনদ অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কর্মকর্তাদের কথায়, প্রায় ৫০টি দেশকে বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৩৫টি দেশ দাভোসে হতে যাওয়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারে। তবে বোর্ডের গঠন আর সদস্য নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে। জানা গেছে, স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ১ বিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে।

এই উদ্যোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সতর্কতা আসছে। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট উড সতর্ক করে বলেন, রাশিয়ার মতো দেশকে সদস্য করলে এই বোর্ডকে জাতিসংঘকে দুর্বল করার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার স্পষ্ট করে বলেন, “ভ্লাদিমির পুতিন শান্তির মানুষ নন।”

 

Walton Ads