মধ্যপ্রাচ্যের গাজা অঞ্চলের জন্য গঠিত মার্কিন নেতৃত্বাধীন “শান্তি পরিষদ” শুধু গাজায় সীমাবদ্ধ থাকবে না—এমন চাঞ্চল্যকর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ হুইটেকার। রাশিয়া টুডের বরাতে মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের তৈরি এই শান্তি পরিষদ ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ এলাকাতেও প্রয়োগ করা হতে পারে।

এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, গাজা শান্তি পরিষদকে বৈশ্বিক পর্যায়ে জটিল সংঘাত সমাধানের একটি কার্যকর মডেল হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।

আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে ১৮টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে “শান্তি পরিষদ সনদে” স্বাক্ষর করেছে। যদিও উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানো, তবে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে—ট্রাম্প এই কাঠামোকে ভবিষ্যতে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংঘাতেও বিস্তৃত করতে চান।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই কৌশল—যাকে তিনি “শক্তির মাধ্যমে শান্তি” নীতি হিসেবে তুলে ধরছেন—মূলত শক্তি ও আধিপত্যের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ধারণার প্রতিফলন। ট্রাম্প নিজেকে শান্তিবাদী নেতা এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য দাবি করলেও, এই নীতির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

হুইটেকারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই শান্তি মডেল সফল হলে তা শুধু গাজায় নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের জটিল রাজনৈতিক ও সামরিক সংঘাত সমাধানেও কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, “শক্তি ও আধিপত্যের মাধ্যমে শান্তি” বাস্তবায়িত হলে উল্টো বৈশ্বিক উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

 

Walton Ads