পাকিস্তানের আহলে বাইত উলামা কাউন্সিলের মহাসচিব আল্লামা গারদিজি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা আর ইসরায়েলের চালানো ষড়যন্ত্র আবারও পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
পার্স টুডের রিপোর্ট অনুযায়ী, আল্লামা গারদিজি ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “ইরানে সাম্প্রতিক অস্থিরতা শুরু হওয়ার আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল-সমর্থিত মিডিয়াগুলো এমন খবর ছড়াচ্ছিল যে ইরানের সরকার এখন পতনের মুখে।
তারা ভেবেছিল, এই অস্থিরতা দিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ভেঙে ফেলা যাবে। এমনকি তারা নির্বাসিত শাহের ছেলেকে ফিরিয়ে ক্ষমতায় বসানোর প্ল্যানও করেছিল।”
কিন্তু আল্লাহর রহমতে, ইরানের জনগণ আর ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা পরিস্থিতি খুব দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন। প্রজ্ঞা আর দৃঢ়তা দিয়ে এই সংকট পার করে এসেছেন।
গারদিজি আরও বলেন, “এই পুরো ঘটনায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল আয়াতুল্লাহুল উজমা খামেনেয়ির দূরদর্শিতা, আল্লাহর প্রতি তাঁর গভীর ঈমান আর কুরআনের প্রতি অটল বিশ্বাসের। কুরআনে তো বলা হয়েছে—শত্রুরা মুমিনদের বিরুদ্ধে একজোট হলে তারা ভয় পায় না, বরং ঈমান আরও মজবুত হয়। আজ ইরানে আমরা ঠিক এটাই দেখছি। শত্রুর হুমকি যত বাড়ছে, জনগণের ঈমান, ধৈর্য আর মনোবল ততই শক্তিশালী হচ্ছে। এটাই আসল ঈমানের নিদর্শন।”
তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “তাই কোনো সন্দেহ নেই যে আল্লাহর পর যিনি সততা, পবিত্রতা আর তাকওয়ার সঙ্গে এই পথের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তিনিই ইসলামী বিপ্লবের নেতা। এই সব অস্থিরতার পেছনে ছিল ট্রাম্প আর দখলদার ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী। কিন্তু আল্লাহ তাদের অপমান করেছেন আর তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছেন।”
গারদিজির কথায় ফুটে উঠেছে যে ইরানের জনগণ আর নেতৃত্ব ঈমান, প্রজ্ঞা আর দৃঢ়তা দিয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে পারে। বিদেশি চাপ বা হুমকি কখনো এই দেশকে ভাঙতে পারবে না।