গাজায় যুদ্ধ বন্ধ এবং রাফাহ সীমান্ত পুনরায় চালু করার বিষয়ে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। বৈঠকে রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও ইসরাইল স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে—এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি তাদের নির্ধারিত শর্তের ওপরই নির্ভর করবে।
ইসরাইলের দাবি, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবশিষ্ট শেষ ইসরাইলি বন্দির মরদেহ উদ্ধার এবং হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাফাহ সীমান্ত পুরোপুরি খোলা হবে না। তবে ইসরাইলি কর্মকর্তারা বলছেন, শেষ বন্দির মরদেহ উদ্ধারের অভিযান শেষ হলে সীমিত পরিসরে গাজার রাফাহ ক্রসিং আবার চালু করা হতে পারে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত অক্টোবরে যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, তার শুরুতেই রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে কেবল মানুষের যাতায়াতের জন্য সীমিতভাবে সীমান্ত খোলার কথা বলা হচ্ছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, এই সীমিত উদ্যোগ গাজাবাসীর ভয়াবহ দুর্ভোগ কমানোর জন্য মোটেই যথেষ্ট নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সব জীবিত বন্দিকে ফিরিয়ে আনা এবং নিহত বন্দিদের মরদেহ খুঁজে বের করে ফেরত দিতে হামাসকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে—এই শর্তেই ইসরাইল এই অবস্থানে রয়েছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী হামাস ইতোমধ্যে সব জীবিত বন্দি এবং একজন নিহত ইসরাইলি বন্দি, পুলিশ কর্মকর্তা র্যান গিভিলি ছাড়া বাকি সবার মরদেহ ফেরত দিয়েছে।