ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)-কে এবার “সন্ত্রাসী সংগঠন” ঘোষণা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। জার্মানি এই সিদ্ধান্তকে “দেরিতে হলেও খুব গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ” বলে প্রশংসা করেছে।

জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আজকের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে খুব শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে আমরা দেখাচ্ছি যে ইরানে যা ঘটছে তা আমরা নজরে রেখেছি। আমরা ইরানি জনগণের পাশে আছি। আমরা মানবতার পক্ষে দাঁড়াই এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই করি।”

কিন্তু তেহরান এই সিদ্ধান্তকে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের অংশ বলে আখ্যা দিয়েছে। বিক্ষোভ দমন আর আইনি প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক দমনের হাতিয়ার বানানোর অভিযোগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কয়েকজন নেতা ও কর্মকর্তার ওপর ব্যক্তিগত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
এর আগে আজ সকালে তেহরান জার্মান দূতকে তলব করেছে। গতকাল চ্যান্সেলর ফ্রেইডরিখ মের্জ বলেছিলেন, “ইরানের দিন শেষ।” এই মন্তব্য তেহরানের রোষের কারণ হয়েছে।

ইরানি বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমা শক্তি আর মিডিয়া ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে বিকৃতভাবে দেখাচ্ছে, যাতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। তাদের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই একপেশে সিদ্ধান্ত ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আক্রমণ, আর প্রকৃত মানবাধিকারের অবস্থা একেবারে অন্যরকম।
ইরান সরকার আবারও জোর দিয়ে বলেছে, তারা দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করবে। কোনো বিদেশি চাপ বা ষড়যন্ত্রে তারা দমে যাবে না।

ইরান আইআরজিসি সন্ত্রাসী, ইইউ আইআরজিসি টেররিস্ট, ইউরোপ ইরান নিষেধাজ্ঞা, আইআরজিসি টেরর ডেজিগনেশন, জার্মানি ইরান সিদ্ধান্ত, ফ্রেইডরিখ মের্জ ইরান, ইরান তেহরান প্রতিক্রিয়া, ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক, ইরান বিক্ষোভ দমন, পশ্চিমা ষড়যন্ত্র ইরান, ইরান সার্বভৌমত্ব আক্রমণ, ইরানি বিশ্লেষক মতামত, ইরান নিরাপত্তা রক্ষা, ইউরোপ মানবাধিকার ইরান, ইরান ইইউ উত্তেজনা

Walton Ads