লেবাননের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি বিমান হামলায় শুক্রবার নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। একের পর এক বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক ও ক্ষোভ।

ইসরাইল দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহ ও তাদের ফিলিস্তিনি মিত্র হামাসকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে পূর্বাঞ্চলের বেকা উপত্যকায় হিজবুল্লাহর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওই হামলায় তাদের একজন ‘কমান্ডার’ নিহত হয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি হামলা

২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে হামলা বন্ধ হয়নি। যুদ্ধবিরতির মূল লক্ষ্য ছিল এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত থামানো। কিন্তু সাম্প্রতিক হামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—চুক্তি কি কার্যকর আছে?

ইসরাইল সাধারণত বলে থাকে, তাদের হামলার লক্ষ্য হিজবুল্লাহর ঘাঁটি। তবে অনেক সময় হামাস যোদ্ধাদেরও টার্গেট করার দাবি করা হয়।

বেসামরিক হতাহতের আশঙ্কা বাড়ছে

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেকা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে চালানো হামলায় ১০ জন নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন শিশু রয়েছে। শিশুদের আহত হওয়ার খবর পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, হামলার পর অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। এলাকায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন জরুরি সেবাকর্মীরা।

সব মিলিয়ে, যুদ্ধবিরতি ভেঙে এই নতুন হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আবারও চড়িয়ে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন—সংঘাত কি আরও বিস্তৃত হবে, নাকি কূটনৈতিক উদ্যোগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে?

 

Walton Ads