মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। সৌদি আরব ও ইরাকে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
বার্তাসংস্থা Reuters জানিয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় মিসাইল ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে কয়েক দশক ধরে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে। ফলে এই হামলাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
শুধু সৌদি আরব নয়, ইরাকের আল-হারির বিমানঘাঁটিকেও টার্গেট করা হয়েছে। ওই ঘাঁটিতেও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের উপস্থিতি রয়েছে।
রিয়াদে মিসাইল, সৌদির পাল্টা হুঁশিয়ারি
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে শনিবার প্রথম মিসাইল নিক্ষেপ করে ইরান। এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করে সৌদি আরব পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে।
সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “রিয়াদ এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো লক্ষ্য করে ইরানের চালানো কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে সৌদি আরব। তবে এই হামলাগুলো সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “এই অযৌক্তিক আগ্রাসনের মুখে সৌদি আরব স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছে—নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং ভূখণ্ড, নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনকি এই হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার পথও খোলা রাখা হয়েছে।”
ইরানের এই পদক্ষেপ এবং সৌদির কড়া অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর বিশ্ববাসীর।