মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ইরানের মিসাইল উৎপাদন ক্ষমতা এবং নৌবাহিনী ধ্বংস করে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth।

গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এরপর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখন ইরানকে সামরিকভাবে দুর্বল করে দেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

হেগসেথ বলেন, “গত রাতে প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর সরাসরি নির্দেশে আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী শুরু করেছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর, জটিল এবং নির্ভুল অভিযান।”

তিনি আরও বলেন, “ইরান সরকারকে চুক্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা চুক্তি করেনি। যার পরিণতি তারা এখন ভোগ করছে। গত ৫০ বছর ধরে ইরান মার্কিনিদের হত্যা করছে। আরও ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সবসময় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রের মালিক হতে চায় তারা। গত রাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরান নামের এ ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ শুরু করেছেন।”

কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “শক্তিশালী মিসাইল দিয়ে মার্কিনিদের আঘাত করতে দেওয়া হবে না। সেসব মিসাইল ধ্বংস করে দেওয়া হবে, পাশাপাশি তাদের মিসাইল উৎপাদন ক্ষমতাও ধ্বংস করা হবে। এছাড়া তাদের নৌবাহিনীকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।”

এই বক্তব্য নতুন করে বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

 

Walton Ads