অভিবাসী ও মুসলিম নাগরিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করুন

ব্রিটেনে বসবাসরত অভিবাসী ও মুসলিম নাগরিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করতে লন্ডনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। তেহরান বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগের ফুলঝুড়ি না ফুটিয়ে ব্রিটিশ সরকারের উচিত নিজ দেশে সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা এবং নিজের স্থিতিশীলতার প্রতি মনযোগী হওয়া।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার জবাব দিতে গিয়ে এ আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানয়ানি।

ক্লেভারলি গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ইরান আন্তর্জাতিক দাবি মেনে নেয়ার কারণেই ২০১৫ সালে তেহরান পাশ্চাত্যের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা সই করতে পেরেছিল।এখনও পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের আলোচনায় ‘দীর্ঘ সময় ধরে বল ইরানের কোর্টে রয়েছে’ বলে দাবি করেন তিনি। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোতে ‘গণ্ডগোল বাধানোর প্রচেষ্টা’ চালানোর জন্যও ইরানকে অভিযুক্ত করেন। 

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ‘বিভ্রান্তিকর ও হস্তক্ষেপমূলক’ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ব্রিটেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যে বিদ্বেষী নীতি গ্রহণ করেছে তার অংশ হিসেবে ক্লেভারলি এ বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরণকারী ইউরোপীয় দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার অধিকার রাখে না। কানয়ানি বলেন, সাত সমুদ্র তের নদীর ওপার থেকে ব্রিটেনকে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা না বললেও চলবে।  এ অঞ্চলের দেশগুলোই তাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে ভাবার জন্য যথেষ্ট। তিনি বলেন, বেসামরিক কাজে পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার ইরানের ন্যায়সঙ্গত অধিকার এবং এ অধিকারে কাউকে হস্তক্ষেপ করার অনুমতি দেয়া হবে না।
খবর পার্সটুডে/এনবিএস/২০২২/একে

Walton Ads