এলসাল্ভদরের নতুন ‘মেগা প্রিজনে’ দুই হাজার বন্দী স্থানান্তর
শুক্রবার ভোরে দেশটির সরকার ৪০ হাজার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন এই কারাগারে বন্দীদেরকে স্থানান্তরের কাজ শুরু করে।
সম্প্রতি মধ্য আমেরিকান এই দেশটিতে অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় সরকার এই জাতীয় কারাগারটি নির্মাণের সিধান্ত নিয়েছিল। প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকাকি টুইটে লিখেন, এখন থেকে এটি তাদের নতুন আবাসস্থল। এখানে চাইলেও জনগণের কোন ক্ষতিসাধন করতে পারবেনা বন্দীরা।
বুকাকির পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, এসময় বন্দীদের মাথা কামানো ও সাদা শর্টস পরিহিত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এদের অনেকের শরীরে এসময় নিজ নিজ গ্যাংয়ের ট্যাটু আঁকা ছিল।
২০২২ সালে বুকাকি তার জোটদের কংগ্রেসে অপরাধ দমনে একটি বিল পাসের অনুরোধ করলেও তা আইইনে পরিনত করতে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকে । কারণ দেখানো হয়, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো হত্যাকাণ্ড ঘটালেও সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে আইনী সাহায্য নিতে পারার বিষয়টি বাতিল তাদের নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করার সামিল।
পড়ে আইনটি পাস হলে ৬৪ হাজার সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে সরকার। বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করাসহ কোনো রকমের আইনী অধিকার পাবেন না বলেও আইনটিতে উল্লেখ করা আছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করেন, এ নীতির কারণে বেশকিছু নিরাপরাধ মানুষও গ্রেপ্তার হয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ডজনখানেক পুলিশ হেফাজতে মারা যায় বলেও দাবী করেন মাবাধিকার কর্মীরা।
তবে প্রেসিডেন্ট বুকাকির সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দমনের এই কর্মসুচি নাগরিকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন নিরাপত্তা মন্ত্রী ।
এনবিএস/ওডে/সি