এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ০৫:০২ পিএম
নাপোলির স্টেডিয়াম থেকে সরিয়ে রাখা হলো ম্যারাডোনার মূর্তি
আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর এক বছর পর ২০২১ সালে ২৫ নভেম্বর নাপোলির স্টেডিয়ামের বাইরে তাঁর একটি ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছিল। নিজেদের স্টেডিয়ামের নাম পাল্টে ডিয়েগো ম্যারাডোনা স্টেডিয়াম রেখেছে নাপোলি।
ইতালির সংবাদ সংস্থা এএনএসএ জানিয়েছে, ভাস্কর্যটি এর নির্মাতাকে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নাপোলিতে ম্যারাডোনার আরও কয়েকটি ভাস্কর্য আছে। তবে ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যটির মূল্য বিচার করে এটি জনসমক্ষে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মূর্তিটি বানাতে শুধু কাঁচামাল বাবদই প্রায় ৩০ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৪ লাখ টাকা) খরচ হয়েছে বলে জানানো হয়। এর বাইরে অন্যান্য খরচ তো আছেই।
২০২১ সালে নাপোলি শহরের মেয়র গায়েতানো মানফ্রেদি ও ক্লাবটির চেয়ারম্যান অঁরেলিও দি লরেন্তিসের উপস্থিতিতে ডিয়েগো ম্যারাডোনা স্টেডিয়ামের সামনে ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিল।
ওলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভাস্কর্যটি যখন স্থাপন করা হয়েছিল, তখন কেউ এর দাম নিয়ে কথা বলেননি। এটি তৈরিতে সত্যিই ৩০ হাজার ইউরো খরচ হয়েছে কি না, তা জানতে দুই বছর লেগে গেল নেপলস শহরের কর্তৃপক্ষের। ডমেনিকো সেপে নিজেই এই অঙ্কটা বলেছিলেন।
গত সপ্তাহে এই প্রস্তাবনায় স্পোর্টস কাউন্সিলর এমানুয়েলা ফেরান্তে সই করলেও বিষয়টি সবাইকে জানানো হয়। নেপলসের সিভিল কোড অনুযায়ী, কোনো কিছু দান করা হলে সেটির মূল্য অবশ্যই যিনি দান করলেন, তাঁর আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। সিটি কাউন্সিল তদন্ত করে জানতে পেরেছে, ডমেনিকো সেপের আর্থিক অবস্থা তেমন একটা ভালো নয়।
অন্যদিকে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নেপলসের কর্তৃপক্ষ মনে করছে ভাস্কর্যটি নাপোলির স্টেডিয়ামের সামনে স্থাপন করায় এর শিল্পী দ্রুতই বিখ্যাত হয়ে গেছেন এবং সেটি শুধুই ম্যারাডোনার জন্য। তাই এটি নির্মাতাকে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত বলেই মনে করেছে কর্তৃপক্ষ।
এনবিএস/ওডে/সি