ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

মালয়েশিয়ায় বন্যায় অন্তত ৪ জনের মৃত্যু, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৩১ হাজার


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৫ মার্চ, ২০২৩, ০১:০৩ পিএম

মালয়েশিয়ায় বন্যায় অন্তত ৪ জনের মৃত্যু, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৩১ হাজার

 মালয়েশিয়ায় বন্যায় অন্তত ৪ জনের মৃত্যু, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৩১ হাজার

মালয়েশিয়ায় বর্ষা মওসুমের শুরুর পর থেকেই নজীরবিহীন মুষলধারে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নভেম্বরে দেশটিতে বর্ষা মৌসুমের শুরু হয়। গত কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাতে কয়েকটি রাজ্যে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৬টি ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য থেকে প্রায় ৪১ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টারে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তার এখবর জানান।

গত শনিবার স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর ও ছবি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্ট থেকে দেখা যায়, পানিতে রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়েছে। বন্যা কবলিত বাড়ির আশেপাশে ও রাস্তায় গাড়ীগুলো পানিতে তলিয়ে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলটি হচ্ছে সিঙ্গাপুর সংলগ্ন দেশটির দক্ষিণের জোহর রাজ্য। অবিরাম বৃষ্টির কারণে ত্রাণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার থেকে ৪ জনের মৃত্যু হয়। তাদের একজন বন্যায় ভাসিয়ে নেওয়া গাড়ীর ভেতরে মারা যান। আর বয়স্ক এক দম্পতি পানিতে ডুবে মারা যান। সর্বশেষে মারা যান সিগমাত শহরের কাছে ৬৮ বছর বয়স্ক এক নারী। তিনি তার বন্যা কবলিত বাড়ির পাশে ডুবে মারা যান।

মালয়েশিয়ার নেচার সোসাইটির সভাপতি ভিনসেন্ট চোউ বলেন, ১৯৬৯ সালের পর এটি হলো জোহর রাজ্যে সবচাইতে মারাত্মক বন্যা। তিনি বলেন, এখন আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুমান করা যায় না। জলবায়ুর পরিবর্তন সব কিছু ওলটপালট করে দিচ্ছে।

পরিবেশ গ্রুপ ফ্রেন্ডস অব দ্য আর্থ মালয়েশিয়া এর সভাপতি মিনাকেশ রমন বলেন, বছরের এ সময়ে এতো বৃষ্টিপাত অস্বাভাবিক ঘটনা। সবুজ প্রান্তরের অভাবে এটি হচ্ছে বলে তিনি মনে করছেন বলে জানান। পল্লী অঞ্চল বন পরিষ্কার করে শহর বানানোর কারণে ভূমি ক্ষয় হয়ে নদীর পানি বহনের ক্ষমতা কমে গেছে তাই বর্ধিত বৃষ্টির পানি বের হতে পারছে না। এছাড়া এলাকাগুলো বেশি করে পাকা করায় ভূমির পানি শোষণ ক্ষমতাও কমে গেছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

এনবিএস/ওডে/সি