ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

পারমাণবিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন পরীক্ষা চালালো উ. কোরিয়া


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২৪ মার্চ, ২০২৩, ১১:০৩ পিএম

পারমাণবিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন পরীক্ষা চালালো উ. কোরিয়া

 পারমাণবিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন পরীক্ষা চালালো উ. কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উভচর যুদ্ধজাহাজ দেশটিতে পৌঁছার প্রেক্ষাপটে উত্তর কোরিয়া এ নতুন পারমানবি ড্রোনের পরীক্ষা চালিয়েছে। আজ শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ এ খবর জানায়।

কেসিএনএ মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা ও মহড়া চালানোর বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে। পরীক্ষার সময় ড্রোনটি ৮০ থেকে ১৫০ মিটার (২৬০-৫০০ ফুট) গভীরতায় ৫৯ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পানির নিচে ভ্রমণ শেষে বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলের পানিতে অপারমাণবিক ডিভাইসের বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ড্রোন ব্যবস্থা শত্রুর পানি সীমায় প্রবেশ করে তাদের নৌবাহিনীর হামলাকারী গ্রুপ এবং গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোতে হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এ ড্রোন যে কোন উপকুল ও বন্দরে মোতায়েন করা যাবে অথবা ভাসমান জাহাজে করে টেনে নেয়া যাবে বলে কেসিএনএ জানায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের পরীক্ষা চালানোর মাধ্যমে নিজেদের উত্তর কোরিয়া তার বৈচিত্রময় পারমাণবিক সক্ষমতার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামনে তুলে ধরেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস’র সিনিয়র ফেলো অঙ্কিত পান্ডা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে উত্তর কোরিয়া এই সংকেত দিতে চায় যে, কোনও যুদ্ধ বাঁধলে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে মিত্রদের উদ্বিগ্ন হতে হবে এবং এর লক্ষ্যবস্তুও পরিণত হতে পারে।

উত্তর কোরিয়া গত বছর প্রায় ৭০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। যার মধ্যে আটটি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র। দেশটির ইতিহাসে যা এক বছরে সবচেয়ে বেশি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীর্ক্ষা।

এর আগে গত বুধবার উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের নির্দেশে এই প্রথম একদিনে পর পর ৪টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ হেমংইয়ংয়ের উপকূল থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়। এগুলোর পাল্লা ছিলো ১৫০০ কিলোমিটার থেকে ১৮০০ কিলোমিটার।

উত্তর কোরিয়া বলেছে, তাদের সর্বশেষ অস্ত্র পরীক্ষা ও মহড়ায় প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তার ওপর কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

এনবিএস/ওডে/সি