ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে মোদি সরকারের কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টকে


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৮ এপ্রিল, ২০২৩, ০৪:০৪ পিএম

সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে মোদি সরকারের কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টকে

 সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে মোদি সরকারের কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টকে


 মঙ্গলবার থেকে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে সমলিঙ্গের বিয়ের স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ মামলাটি শুনছে।

সেই শুনানি শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা একটি অতিরিক্ত হলফনামা জমা করে দাবি করলেন, সংশ্লিষ্ট মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের বিচার্য হতে পারে না। কারণ, সমলিঙ্গের দম্পতিদের বিয়ের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না সেটা সরকার এবং পার্লামেন্টের বিষয়। আদালতের এই বিষয়ে কিছু করণীয় নেই।

এর আগে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছিল, এই ধরনের বিয়ে ভারতের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ঐহিত্যের পরিপন্থী। যা ইওরোপে বাস্তব, ভারতীয় উপমহাদেশে তার অনেক কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়। সমাজ যা গ্রহণ করে না, অধিকারের নামে তা চাপিয়ে দেওয়া যায় না।

কেন্দ্রের সেই বক্তব্য নিয়েই মঙ্গলবার থেকে শুনানি শুরু হয়েছে। কিন্তু আচমকা নরেন্দ্র মোদি সরকার মামলাটি নিয়ে শীর্ষ আদালতের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাকে নয়া মাত্রা যোগ হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সাংবিধানিক বেঞ্চের সদস্যদের অতীতের একাধিক রায় এবং বর্তমান মামলায় নানা পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষিতে মোদি সরকার এই কড়া হুঁশিয়ারি জারি করল। সরকার আশঙ্কা করছে, সাংবিধানিক বেঞ্চ মামলাকারীদের যুক্তি এবং সমলিঙ্গের বিয়ে নিয়ে বিশ্ব পরিস্থিতি বিচার করে আইনি স্বীকৃতির দাবি মঞ্জুর করতে পারে। সাংবিধানিক বেঞ্চের কোনও রায় এমনিতেই আইন হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকে। তার উপর সরকারকে আইন তৈরির নির্দেশ দিলে তা অগ্রাহ্য করার সুযোগ নেই।

এর আগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ নম্বর ধারাটি পাঁচ বছর আগে বাতিল করে দিয়েছে সুপিম কোর্ট। তাই প্রাপ্তবয়স্ক দুই সমলিঙ্গের ব্যক্তির স্বেচ্ছায় যৌনাচার এখন আর অপরাধ নয় দেশে। সেই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল যে সাংবিধানিক বেঞ্চ বর্তমান প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় সেটির সদস্য ছিলেন। তারও আগে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা অর্থাৎ রাইট টু প্রাইভেসির মামলাতেও শীর্ষ আদালতের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের সদস্য ছিলেন চন্দ্রচূড়। সেই বেঞ্চ গোপনীয়তার অধিকারকে মৌলিক অধিকারের অংশ বলে ঘোষণা করে।

এনবিএস/ওডে/সি