ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বেশির ভাগ ম্যাচ হতে পারে কলকাতা ও গুয়াহাটিতে


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৫ মে, ২০২৩, ০৬:০৫ পিএম

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বেশির ভাগ ম্যাচ হতে পারে কলকাতা ও গুয়াহাটিতে

 বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বেশির ভাগ ম্যাচ হতে পারে কলকাতা ও গুয়াহাটিতে

বিশ্বক্রিকেটের মেগা আসর ওয়ানডে বিশ্বকাপের আর মাত্র পাঁচ মাস বাকি। এরই মধ্যে আয়োজক দেশ ভারত নিজেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ঘরের মাঠে পরপর দুটি সিরিজ ও কয়েকদিনের মধ্যে শুরু হতে যাওয়া আয়ারল্যান্ড সিরিজের মাধ্যমে প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ দলও। ইতিবাচক ও আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়েই টাইগাররা এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপে পা রাখতে চায়। অক্টোবরে শুরু হতে যাওয়া আসরটিতে কোথায় হবে সাকিব-তামিমদের ম্যাচ? এবার সেই দুটি সম্ভাব্য ভেন্যুর কথা জানা গেছে। আর তা হলো কলকাতা ও গুয়াহাটি।

খবরে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সাতটি ভেন্যুকে বিশ্বকাপের জন্য পর্যালোচনায় রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। সেই তালিকায় স্থান পেয়েছে নাগপুর, বেঙ্গালুরু, তিরুবন্তপুরম, মুম্বাই, দিল্লি, লখনৌ, গুয়াহাটি, কলকাতা, হায়দরাবাদ, রাজকোট, ইন্দোর ও ধর্মশালা। চলতি আইপিএল শেষ হলেই বিশ্বকাপের সূচি এবং চূড়ান্ত ভেন্যুর তালিকা প্রকাশ করার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, নিরাপত্তার কারণে পাকিস্তানের অধিকাংশ ম্যাচ হতে পারে চেন্নাই এবং বেঙ্গালুরুতে। দেশটিও নিজেদের পছন্দের ভেন্যু হিসেবে চেন্নাই ও কলকাতার ইডেন গার্ডেনের কথা জানিয়েছিল। একইভাবে বাংলাদেশ নিজেদের অধিকাংশ ম্যাচ খেলতে চাইছে কলকাতা এবং গুয়াহাটিতে। যাতে নিজেদের দেশ থেকে খুব বেশি দূর ভ্রমণ করতে না হয়।

জানার গেছে, বাংলাদেশ থেকে কলকাতা এবং গুয়াহাটির দূরত্ব কম হওয়ার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে আয়োজকরাও। দূরত্ব ছাড়াও গ্যালারিতে বাংলাদেশি দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কথাও তারা মাথায় রেখেছে।

আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে বিশ্বকাপ চলতে পারে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। বিশ্বকাপের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে ভারতের মোট ১২টি শহরে। টানা ৪৬ দিন ধরে চলবে এ প্রতিযোগিতা। ১০টি দলের প্রতিযোগিতায় নকআউট পর্বের ৩টি ম্যাচ মিলিয়ে মোট ৪৮টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। তবে ভারত-পাকিস্তানের হাইভোল্টেজ ম্যাচের জন্য আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামকে বেছে নিতে চায় ভারতীয় বোর্ড। কেননা, লাখের বেশি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ওই মাঠে সংস্থাটি এই ম্যাচের অধিক মুনাফা তুলতে চায়। ফাইনালের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ওই ভেন্যুটি।

বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৬টি বিশ্বকাপ আসরে অংশগ্রহণ করেছে। এরমধ্যে ২০০৭ ও ২০১৫ সালের আসরে শেষআটে উঠা ছিল লাল-সবুজেদের সেরা সাফল্য। বাংলাদেশের খেলা বিশ্বকাপের বাকি আসরগুলো হলো ১৯৯৯, ২০০৩, ২০১১ ও ২০১৯ সালের।

এনবিএস/ওডে/সি