এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৩, ০৪:০৫ পিএম
ইউক্রেনে শান্তির আশাবাদ কিসিঞ্জারের
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার গত রোববার সিবিএস নিউজকে বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ হয়ত শেষ হতে চলেছে। চীনের মধ্যস্থতায় ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ শান্তি আলোচনা শুরু হতে পারে।
কিসিঞ্জার বলেন, ‘চীন এখন আলোচনায় প্রবেশ করেছে। আমি মনে করি, এ বছরের শেষ নাগাদ তা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছুবে। এর মধ্যে আমরা এ প্রক্রিয়াকে প্রকৃত আলোচনায় উন্নীত করার চেষ্টা করবো।’ গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেন সংকটের রাজনৈতিক নিস্পত্তির কথা জানিয়ে চীন নিজেকে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সরাসরি চীনা পরিকল্পনাকে নাকচ করে দিয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন চীনের ১২ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে মস্কোর অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এর অল্প কয়েকটি দফাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি বলেছেন, কিয়েভ রাশিয়ার সঙ্গে কোনভাবে সমঝোতা করবে না।
জেলেনস্কি পুতিন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। গত অক্টোবর মাসে এক ডিক্রি জারি করে তিনি ক্রেমলিনের সঙ্গে যোগাযোগ নিষিদ্ধ করেন। বিষয়টি চীন ও অন্য যে কোন সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারীর জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সরকার প্রকাশ্যে দাবি করছে যে, শান্তির চেষ্টা কখন শুরু করা হবে সে সিদ্ধান্ত ইউক্রেনই নেবে। এটি করার জন্য ওয়াশিংটন জেলেনস্কিকে কোন উৎসাহ দিচ্ছে না। যুদ্ধের লক্ষ অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এ লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে ক্রিমিয়া ও অন্যান্য দখলকৃত অঞ্চল পুণর্দখল। তবে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে, এর সম্ভাবনা ক্ষীণ।
কিসিঞ্জার গত বছর বর্তমান অবস্থানকে মেনে নিতে ইউক্রেনের প্রতি আহ্বান জানায় যা কিয়েভকে ক্ষুব্ধ করে। তিনি শান্তির জন্য ক্রিমিয়ার ওপর দাবি পরিত্যাগ এবং ডোনেস্ক ও লুগানস্ক অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন প্রদানেরও কথা বলেন তখন। কিসিঞ্চার বলেন, এ ভুখন্ডগুলোকে আলোচনা, যুদ্ধবিরতি ও রুশ সেনা প্রত্যাহারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।
এনবিএস/ওডে/সি