ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

পশ্চিমা দেশগুলো বিশ্বে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও অভ্যুত্থানকে উস্কে দিচ্ছে: পুতিন


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৯ মে, ২০২৩, ০৬:০৫ পিএম

পশ্চিমা দেশগুলো বিশ্বে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও অভ্যুত্থানকে উস্কে দিচ্ছে: পুতিন

 পশ্চিমা দেশগুলো বিশ্বে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও অভ্যুত্থানকে উস্কে দিচ্ছে: পুতিন

রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে দেশে দেশে ‘ডাকাতি, সহিংসতা এবং দমন’ ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করার অভিযোগ করেছেন। মস্কোর রেড স্কয়ারে রাশিয়ার বিজয় দিবসের প্যারেড বক্তৃতার সময় পুতিন বলেন, পশ্চিমা অভিজাতরা নাৎসিদের ‘উন্মাদ উচ্চাকাঙ্ক্ষার পরিণতি’ ভুলে গেছে।

পুতিন বলেন, রাশিয়া বিশ্বাস করে যে ‘শ্রেষ্ঠত্বের যে কোনো আদর্শ তার প্রকৃতির দ্বারা ঘৃণ্য, অপরাধমূলক এবং মারাত্মক। বিশ্ববাদী অভিজাতরা তাদের ব্যতিক্রমবাদের উপর জোর দিয়ে থাকে, তারা মানুষকে একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেয়, সমাজকে বিভক্ত করে, রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও অভ্যুত্থানকে উস্কে দেয়, ঘৃণা, রুসোফোবিয়া এবং আগ্রাসী জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করে, ঐতিহ্যগত পারিবারিক মূল্যবোধকে ধ্বংস করে যা মানুষকে অমানুষ করে তোলে।

পুতিনের মতে, ‘তাদের ইচ্ছা, তাদের অধিকার এবং তাদের নিয়মগুলিকে আরও পাকাপোক্ত করার জন্য আন্তর্জাতিক বিশ্বে ‘ডাকাতি, সহিংসতা এবং দমনের একটি ব্যবস্থা’ বাস্তবায়নের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা কাজ করে যাচ্ছে। পুতিন বলেন, তারা ভুলে গেছে কে এই দানব (নাৎসি), সম্পূর্ণ মন্দকে পরাজিত করেছে। ’

ইউক্রেন সংঘাতের কথা উল্লেখ করে পুতিন বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি সত্যিকারের যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করেছি। আমরা ডনবাসের বাসিন্দাদের রক্ষা করব এবং আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। তিনি বলেন, পশ্চিমাদের লক্ষ্য হল ‘আমাদের দেশের বিচ্ছিন্নতা ও ধ্বংস অর্জন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল বাতিল করা, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক আইনের ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙ্গে ফেলা এবং উন্নয়নের সার্বভৌম কেন্দ্রগুলিকে শ্বাসরোধ করা। ইউক্রেনে সংঘাতের প্রাদুর্ভাবের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা দায়ী।

পুতিন দাবি করেন, ইউক্রেনীয় জনগণ এখন যে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে তার কারণ হচ্ছে, ‘অপ্রতিরোধ্য উচ্চাকাঙ্ক্ষা, অহংকার যা তাদের অনিবার্যভাবে ট্র্যাজেডির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনীয়রা ২০১৪ সালে দেশে সংঘটিত অভ্যুত্থানের ‘জিম্মি’ হয়ে উঠেছিল এবং পশ্চিমাদের দ্বারা ‘একটি দর কষাকষিতে’ পরিণত হয়েছিল, যা দেশটিকে তার ‘নিষ্ঠুর স্বার্থপর পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহার করে।

এনবিএস/ওডে/সি