এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১০ মে, ২০২৩, ০৪:০৫ পিএম
এখনও জ্বলছে শরাফ হাউস, রাজ্যপালের পর ঘটনাস্থলে মমতা
১ ঘণ্টা পার হয়ে গিয়েছে এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি শরাফ হাউসের আগুন। পর পর চারটি এসিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার সকালে রাজ্যপাল পৌঁছে গিয়েছিলেন সেখানে। এবার সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভেতরে কেউ আটকে নেই। সকালে রাজভবনের সামনে আগুন দেখে সকালে হেঁটেই শরাফ হাউসের সামনে পৌঁছে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেখানে তখন দমকলের সাতটি ইঞ্জিন ছিল।
সেখানে কথা বলেছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে। এখন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ১০ ইঞ্জিন কাজ করছে। নিয়ে আসা হয়েছে হাইড্রোলিক ল্যাডারও।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলেভাগই এসে পৌঁছেছিলেন সুজিত বোস ও বিনীত গোয়েল। পুলিশ কমিশনার কথা বলেন রাজ্যপালের সঙ্গে। মমতা যখন শরাফ হাউসের কাছে পৌঁছন তখনও ঘটনাস্থলে ছিলেন রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রীকে কথা বলতে দেখা যায় তাঁর সঙ্গে।
সুজিত বসু জানিয়েছেন, দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ চলছে। ৫৫ মিটার ল্যাডার আনা হচ্ছে। শরাফ হাউসে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের দফতর রয়েছে। ছাদে রয়েছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের ক্যান্টিনের জন্য রান্নাঘর। সেই রান্নাঘরেই প্রথমে আগুন লেগেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তাঁদের কথায়, আগুন লাগার পনেরো মিনিটের মধ্যে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
বেআইনি নির্মাণের কারণেই কি এত বড় বিপত্তি ঘটল? জানা গেছে, যেখানে আগুন লাগে তার পাশেই একটি অস্থায়ী থাকার জায়গাও তৈরি করা হয়েছিল। এছাড়া সেখানে যথাযথ অগ্নিনির্বাপনের ব্যবস্থা ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কী করে আগুন?
জানা গিয়েছে বহুতলটিতে একাধিক অফিস রয়েছে। গ্রাউন্ড ফ্লোরে রয়েছে একটি ব্যাঙ্কও। আর যে জায়গায় আগুন লেগেছে সেখানেও বেশ কয়েকটি অফিস রয়েছে। এখনও পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, সেই অনুযায়ী, শরাফ হাউসে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের দফতর রয়েছে। উপরে ছিল রান্নাঘর। সেখানেই আগুন লাগে। স্থানীয়দের দাবি, মিনিট পনেরোর মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। আগুন এত ভয়াবহ আকার ধারণ করে যে ছাদের বেশ কিছু অংশ খসে পড়তে শুরু করে। সেখান থেকে চতু্র্দিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই বহুতলে কেউ আটকে নেই। প্রত্যেকেই নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।
এনবিএস/ওডে/সি