ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

থাইল্যান্ডে চলছে ক্ষমতার পালাবদলের নির্বাচন


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৪ মে, ২০২৩, ০১:০৫ পিএম

থাইল্যান্ডে চলছে ক্ষমতার পালাবদলের নির্বাচন

 থাইল্যান্ডে চলছে ক্ষমতার পালাবদলের নির্বাচন

থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে আজ। এবারের নির্বাচনে সম্মুখসারিতে যারা রয়েছেন তাদের অন্যতম হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন শিনাওয়াত্রার মেয়ে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। এবারের নির্বাচনকে থাইল্যান্ডের জন্য ক্ষমতার পালাবদলের নির্বাচন বলে মনে করা হচ্ছে।

সম্প্রতি সময়ে দেশটিতে এক ডজনের বেশি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রাউথ চান-ওচাও একজন সাবেক জেনারেল। তার নেতৃত্বে ২০১৪ সালে সর্বশেষ অভ্যূত্থান ঘটে। তিনি আরো এক মেয়াদ ক্ষমতা থাকতে এ নির্বাচনে লড়ছেন। তবে এবারের তাকে সামরিক বাহিনী বিরোধী দু’টি দলের তীব্র প্রতিদ্ব্িন্দ্বতার মুখোমুখি হচ্ছে।

পেউ থাই(থাইদের জন্য) দলটি প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছে। দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৩৬ বছর বয়েসি পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। তিনি তার পরিবারের সুনামকে ব্যবহার করছেন।
এর আগে গত শনিবার থাই রাজধানী ব্যাংকক ছিল শেষমুহুর্তের জমজমাট প্রচারণামুখর। এদিনে খোলা ট্রাক ও গাড়িতে করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার চালান। প্রাউত চান-ওচা এবারের নির্বাচনে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হচ্ছেন। জনমত জরিপ অনুযায়ী, তার প্রতিদ্বন্দ্বী দল ফেউ থাই ও মুভ ফরোয়ার্ড পার্টির জনপ্রিয়তা বেড়েছে।

থাইল্যান্ডে মোট ভোটার ৫ কোটি ২০ লাখ। এই ভোটারদের মধ্যে ৩ কোটি ৩০ লাখ ভোটার নতুন প্রজন্মের। তাদের বয়স ১৮ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। প্রথমবার নির্বাচনে ভোট দেবেন তারা।

জনমত জরিপে দেখা গেছে, তরুণ ভোটারদের রায় এবার এক দশকের সরকারের পতন ঘটাতে পারে। একই সঙ্গে সামরিকপন্থী ও রক্ষণশীলদের সামনে আনতে পারে। ফউ থাই পার্টি পার্টির পেতংতার্ন বলেন, ‘আমি প্রথমবার ভোট দিয়ে যাওয়া ভোটারদের ফেউ থাইকে বেছে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের দুই দশকের সরকারে থাকার ইতিহাস রয়েছে। আমরা অতীতেও সফল হয়েছিলাম।’

বিলিয়নিয়ার থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে পেতংতার্ন। পরিবার ও দলের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে আসন্ন নির্বাচনে জিততে চান তিনি ও তার দল। তাকে ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে ফিউ থাই দলের রাজনীতি।

ব্যাপক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও ২০০৬ সালে সেনা অভ্যুত্থানে থাকসিন ও ২০১৪ সালে তার বোন ইংলাক ক্ষমতাচ্যুত হন। কারাদণ্ড এড়াতে দুজনই দেশের বাইরে স্বেচ্ছানির্বাসনে রয়েছেন। থাইল্যান্ডের আরেক রাজনৈতিক দল তারুণ্যনির্ভর মুভ ফরোয়ার্ড সম্প্রতি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। দলটির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী পিটা লিমজারোয়েনরাত।

এনবিএস/ওডে/সি