ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

জাপানে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের টার্গেট রাশিয়ার রপ্তানিপণ্য


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৯ মে, ২০২৩, ০২:০৫ পিএম

জাপানে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের টার্গেট রাশিয়ার রপ্তানিপণ্য

জাপানে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের টার্গেট রাশিয়ার রপ্তানিপণ্য

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা হিসেবে এ টার্গেট করা হয়েছে। যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল যাতে মস্কো সংগ্রহ করতে না পারে সেজন্যে দেশটির ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। দ্য গার্ডিয়ান

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধনাঢ্য দেশগুলোর জোট জি-৭ ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর আরো অবরোধ আরোপ ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জাপানের হিরোশিমা নগরীতে শুক্রবার (১৯ মে) জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন শুরুর আগে তারা এমন মন্তব্য করেন। রাশিয়ার কোম্পানি, ব্যাংক ও ব্যক্তির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপে নেতৃত্ব দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র। আসন্ন ঘোষণায় লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের প্রতি বিশ্বশক্তিবর্গের সমর্থন পুণর্ব্যক্ত করা এবং রাশিয়ার ওপর আরো চাপ প্রয়োগ।

শীর্ষ সম্মেলন শুরুর আগে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, জি-৭ এর সর্বশেষ লক্ষ্য হচ্ছে রণাঙ্গনের জন্য প্রয়োজনীয় সাজসরঞ্জাম লাভের রাশিয়ার সক্ষমতা সংকুচিত করা, অবরোধ এড়ানোর ছিদ্রগুলো বন্ধ করা, মস্কোর জ্বালানীর ওপর আন্তর্জাতিক নির্ভরতা আরো কমিয়ে আনা এবং আন্তর্জাতিক অর্থ ব্যবস্থায় মস্কোর প্রবেশ সংকীর্ণ করে তোলা।

কর্মকর্তা বলেন, মস্কোর ওপর অব্যাহতভাবে স্ক্রু আরো টাইট করার আমাদের অঙ্গীকার এখনো এক বছর আগের মতোই দৃঢ় রয়েছে।

মার্কিন অবরোধের আওতায় রাশিয়া ও অন্যান্য দেশের ৭০টি প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক কালোতালিকাভুক্ত করা হবে। এর ফলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য রপ্তানি করতে পারবে না। এ ছাড়া ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, নৌযান ও বিমানের ওপর তিনশ’রও বেশি নতুন অবরোধ আরোপ করা হবে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ ও ব্রিটেনসহ তার মিত্ররা মস্কোর ওপর অবরোধ আরোপ এবং রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ চাপ দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শীর্ষ সম্মেলনের আগে হিরোশিমাতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিয়ো কিশিদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ঘোষণা করেছেন, তার দেশ রাশিয়ার তামার, নিকেল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। তিনি আশা করছেন অন্যান্য জি-৭ দেশও তা করবে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারেন বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, এ বিষয়ে চীনের সঙ্গেও উত্তেজনা বাড়ছে। জি-৭ নেতারা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরে অবাধ ও মুক্ত নৌচলাচল নিশ্চিত করতে চান। জি-৭ নেতা জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

জি-৭ নেতারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনবিক বোমা হামলায় নিহত জাপানীদের শ্রদ্ধা জানিয়ে হিরোশিমার শান্তি স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পন করবেন।

এনবিএস/ওডে/সি