ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

বাংলাদেশ থেকে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে: মমতা ব্যানার্জি


এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক    | প্রকাশিত:  ২৮ জুলাই, ২০২৩, ০৭:০৭ পিএম

বাংলাদেশ থেকে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে: মমতা ব্যানার্জি

বাংলাদেশ থেকে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে: মমতা ব্যানার্জি

শ্চিমবঙ্গে বর্ষা এখনো ভালোভাবে শুরু হতে না হতেই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ক্রমেই বেড়ে চলেছে এ রোগের প্রকোপ। এরই মধ্যে রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ডেঙ্গুর দায় দিয়েছেন বাংলাদেশের ওপর। 

বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, বাংলাদেশ থেকে এখানে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে। এভাবে রোগ ছড়িয়ে পড়লে কী করা যায়? কাউকে তো ঢুকতে বারণ করতে পারি না। যাদের ডেঙ্গু ধরা পড়েছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। সে কারণেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গাইঘাটা ও তার আশেপাশের এলাকায় বেশি ডেঙ্গুরোগী পাওয়া গেছে।

মমতা জানান, পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গু ঠেকাতে সীমান্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে কোনো পর্যটক পশ্চিমবঙ্গে এলে সীমান্তেই ডেঙ্গু পরীক্ষা করানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম সব জেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফেভার ক্লিনিক চালু রাখতে হবে সর্বক্ষণ। 

এদিকে, বিধানসভায় ডেঙ্গু নিয়ে বাংলাদেশকে জড়িয়ে মমতা ব্যানার্জির মন্তব্যকে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মমতার উচিত অবিলম্বে চার্টাড প্লেনে করে মশা মারার ক্যানিংয়ের শওকাত মোল্লা, ভাঙ্গরের আরাবুল ইসলাম, ফলতার জাহাঙ্গিরদের নিয়ে ঢাকায় যাওয়া। আর এই প্রতিনিধি দল নিয়ে আলোচনায় বসুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে। সূত্র: জাগো নিউজ

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দপ্তর এখনো স্পষ্ট করে না বললেও, বেসরকারি তথ্যানুযায়ী, রাজ্যে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আড়াই হাজারেরও বেশি। এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।

এদিকে, বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে বলেছেন, 'ভারত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতেই পারে। তাতে কোনো আপত্তি নেই। একসময় কোভিড ১৯-এও তো নেওয়া হয়েছিল।’ তার দাবি, বাংলাদেশে সরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি