এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪ আগস্ট, ২০২৩, ০৪:০৮ পিএম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিরোধী জোট ইন্ডিয়াকে বললেন ‘ঘমন্ডিয়া’!
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
২৬টি বিরোধী দল নিয়ে ইন্ডিয়া জোট গঠনের ক’দিন পরেই বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠকে মোদি বলেছিলেন, নামে কী এসে যায়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গেও ‘ইন্ডিয়া’ শব্দটি আছে। এমনকী একটি মৌলবাদী ছাত্র সংগঠন সিমির কথাও বিরোধী জোটকে আক্রমণ করতে গিয়ে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এবার তিনি বললেন, ‘ইন্ডিয়া’ নয়, বিরোধী জোটকে ডাকা উচিত ‘ঘমন্ডিয়া’ বলে।
বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী বিহারের এনডিএ পার্লামেন্ট সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বিজেপি ছাড়াও আরও চারটি আঞ্চলিক দলের পার্লামেন্ট সদস্য এবং নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পার্লামেন্ট চলাকালে এনডিএ-র ৩৩০ জন পার্লামেন্ট সদস্যের সঙ্গে বৈঠক করবেন। মোট ১১টি বৈঠক হবে। বৃহস্পতিবার বিহারের পার্লামেন্ট সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ইন্ডিয়া জোটের প্রসঙ্গ টেনে পরামর্শ দেন, এই জোটকে ডাকুন ‘ঘমন্ডিয়া’ বলে।
‘ঘমন্ড’ একটি হিন্দি শব্দ। বাংলা হল অহংকারী, উদ্ধত। মোদি বহুদিন ধরেই কংগ্রেসকে অহংকারী, উদ্ধত বলে আক্রমণ করে আসছেন। বিরোধী জোটেরও প্রধান শরিক কংগ্রেস।
মোদির এই লাগাতার ইন্ডিয়া বিরোধিতায় বিরোধী শিবির খুশি। কংগ্রেসের এক প্রবীণ নেতার কথায়, প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণেই বোঝা যাচ্ছে, বিরোধীরা তার সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি ভয় পেয়েছেন। এটা স্পষ্ট বিরোধীদের উপেক্ষা করতে পারছেন না। আর আক্রমণ করতে গিয়ে ছেলেমানুষি করছেন নানা ধরনের উপমা টেনে।
এনডিএ বলেছে, বৃহস্পতিবারের বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রী জোট রাজনীতির জয়গান গেয়েছেন। তিনি বলেন, এনডিএ অন্য জোটের থেকে আলাদা। এখানে সব দলের সমান সম্মান। এই প্রসঙ্গে বিহারের দৃষ্টান্ত দিয়ে মোদি বলেন, নীতীশ কুমার আমাদের ছেড়ে ইন্ডিয়া জোটের হাত ধরেছেন। অথচ আমরা ওঁকে বছরের পর বছর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে সমর্থন জুগিয়েছি। তখনও নীতীশজির দলের পার্লামেন্ট সদস্য সংখ্যা বিজেপির থেকে বেশি ছিল না।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি