ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

জার্মানিতে পাঁচশ’র বেশি ক্রীড়াবিদের বিশ্ব বামন গেমস


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৮ আগস্ট, ২০২৩, ০৭:০৮ পিএম

জার্মানিতে পাঁচশ’র বেশি ক্রীড়াবিদের বিশ্ব বামন গেমস

 জার্মানিতে পাঁচশ’র বেশি ক্রীড়াবিদের বিশ্ব বামন গেমস

 জার্মানির কোলন শহরে অনুষ্ঠিত এবারের বিশ্ব বামন গেমসে ৫০০ এর বেশি ক্রীড়াবিদ অংশ নিয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই তাদের নিজ নিজ ডিসিপ্লিনে পারদর্শিতা অর্জন করা এবং সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে বাকিদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছেন। বাস্কেটবলসহ এবছর মোট ১০টি ইভেন্টে প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

ভারত থেকে আসা অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আরুণাচালাম নালিনী বলেন, এটা নিজের বাড়ি ফেরার মতো অনুভূতি। বিশেষ অলিম্পিক গেমসে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটি খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলেও নয় দিনের বিশ্ব বামন গেমসে বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টনসহ  ১০টির বেশি ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।

সম্পূর্ণ ভিন্নরকম পরিবেশে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে নালিনী ডয়চে ভেলেকে বলেন, বাধা-বিপত্তিহীন চলা স্বাভাবিক মানুষ কখনো বুঝবে না অনেক ছোট ছোট জিনিস যেমন সিঁড়ি আমাদের জন্য কতো বড় সমস্যা হতে পারে। আশা করি এগুলোর পরিবর্তন হবে।

নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ৫৫ বছর বয়সী নালিনী অনেক বছর আগে  খেলাধুলা শুরু করেছিলেন। তারপর প্যারাস্পোর্ট এর সন্ধান পেয়ে তিনি প্রশিক্ষণ শুরু করেন। আঞ্চলিক, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নালিনী ৪২টিরও বেশি পদক জিতেছেন। তবে তার প্রিয় খেলা ব্যাডমিন্টন, যেটিতে তিনি কোলনে ব্রোঞ্জ জিতেছেন। বামনদের ব্যাডমিন্টনে খ্যাতিমান খেলোয়াড় মার্ক ধারমাই তার সহযোগী হিসেবে ছিলেন টুর্নামেন্টে।

অনেকগুলো বাধার মধ্যে প্রতিযোগীদের জন্য একটি বড় বাধা হচ্ছে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা ও যাতায়াত খরচ। যা প্রায়ই তাদের নিজেদের বহন করতে হয়। পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে ধারমাই কিছু পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছেন। নালিনীকে তার অফিস থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। তবে নালিনী আশা করছেন, ভবিষ্যতে ভারত সরকার বামন খেলোয়াড়দের পৃষ্ঠপোষকতা করতে এগিয়ে আসবে এবং তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে।

জার্মান সংস্থার আর্থিক কৃতিত্ব -
জার্মান অ্যাসোসিয়েশন অফ শর্ট-স্ট্যাচারড পিপল এবং তাদের পরিবার (বিকেএমএফ) এ বছর এই বিশেষ গেমস সফলভাবে আয়োজন করে। বিকেএমএফের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিসিয়া কার্ল-ইনিগ ডয়চে ভেলেকে বলেন যে, জার্মান এনজিও অ্যাকশন মেনশ এবং কোলনের জার্মান স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির সমর্থন সত্ত্বেও এটি আয়োজন করা কঠিন ছিলো। তবে এই অভিজ্ঞতা অনেক মূল্যবান। এটি একটি অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম। প্রতিযোগীরা জার্মানিতে এসে এই সুন্দর আয়োজনে অংশ নিতে পেরে খুবই আনন্দিত।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা  

এনবিএস/ওডে/সি