ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ‘তেজস্ক্রিয়’ পানি সমুদ্রে ফেলা শুরু


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২৪ আগস্ট, ২০২৩, ০৯:০৮ পিএম

ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ‘তেজস্ক্রিয়’ পানি সমুদ্রে ফেলা শুরু

 ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ‘তেজস্ক্রিয়’ পানি সমুদ্রে ফেলা শুরু

 চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার আপত্তি সত্ত্বেও এই পানি ফেলা হচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরে। ফুকুশিমা পরমাণুকেন্দ্রের পরিচালন সংস্থা ‘টেপকো’ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে পরিশ্রুত করা ওই পানির একাংশ সমুদ্রে ফেলা হয়েছে। পাম্পের সাহায্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে জানিয়েছে জাপান। প্রায় ২০ মিনিট পরে প্রথম পর্যায় সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে অন্য একটি পাম্পকেও সক্রিয় করা হয়।

জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা, আইএইএ (‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি অ্যাজেন্সি’ বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা) জুলাই মাসে জানিয়েছিল, ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের তেজস্ক্রিয় জল জাপান যতখানি পরিশ্রুত করতে পেরেছে, তার মান সন্তোষজনক। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিয়ো কিশিদার হাতে তুলে দিয়ে ‘তেজস্ক্রিয় পানি’ প্রশান্ত মহাসাগরে ফেলার ছাড়পত্রও দিয়েছিল। যদিও সে সময়ই চীনের তরফে তীব্র আপত্তি জানিয়ে বলা হয়েছিল, ‘আইএইএ রিপোর্ট সাগরে বর্জ্য পানি ফেলার ছাড়পত্র হতে পারে না।’

২০১১ সালে ভূমিকম্প এবং সুনামির জেরে বিধ্বস্ত হয়েছিল ফুকুশিমা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র। তার পরে সেখানকার সিল করা যে ধাতব টিউবে জ্বালানি ইউরেনিয়াম থাকে, সেই টিউব বা রডগুলিকে ঠান্ডা করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল পানি। তার পরিমাণ প্রায় ৫০০টি অলিম্পিক মাপের সাঁতার পুলে যত পানি ধরে, প্রায় ততখানি! প্রায় ১,০০০টি বিশেষ ধাতব কন্টেইনারে ভরে রাখা সেই পানিই ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে ধাপে ধাপে সাগরে ফেলতে চায় জাপান। তার আগে পানি পরিশ্রুত করে যথাসম্ভব তেজস্ক্রিয়তামুক্ত করা হয়েছে বলে আইএইএ-র কাছে দাবি জানানো হয়েছিল।

আইএইএ-র প্রতিনিধিদল রিপোর্টে বলছে, তারা পরীক্ষা করে দেখেছে, এখন যতটুকু তেজস্ক্রিয়তা রয়েছে ওই বর্জ্য পানিতে, তা পরিবেশের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয়।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি