এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট, ২০২৩, ০৩:০৮ পিএম
পেঁয়াজে বাড়তি শুল্ক, আতপ চালেও ২০ শতাংশ শুল্ক বসাল ভারত
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন বলেন, ভারত পেঁয়াজের ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর বাংলাদেশে পণ্যটি হিলি বন্দর দিয়ে আমদানির পর কেজি প্রতি প্রকারভেদে ৫ থেকে ৭ টাকা বাড়তি শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। কিন্তু শুক্রবার পেঁয়াজ রফতানির ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ভারত সরকার।
এর মানে পেঁয়াজ রফতানির ক্ষেত্রে আগে যে ১৫০/২০০ মার্কিন ডলার মূল্যে যে এলসি খুলত আমদানিকারকরা তার পরিবর্তে এখন খরচ পড়বে টন প্রতি ৩২৫ মার্কিন ডলার। এতে পেঁয়াজ কেজি প্রতি আমদানি খরচ ফের বাড়াতি শুল্কের কারণে ১১ টাকা পড়বে। এবং এটিই ফিক্সড কি না এখনও নিশ্চিত নয়।
এদিকে বাসমতি চাল ব্যতীত সব ধরনের সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর এবার আতপ চালের ওপর অতিরিক্ত ২০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক আরোপ করেছে ভারত। শুক্রবার দেশটির কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শুক্রবার এই নির্দেশনা দিয়েছে।
ভারত বিশ্বের বৃহত্তম চাল রপ্তানিকারী দেশ। আন্তর্জাতিক বাজারে মোট চালের যোগানের ৪০ শতাংশেরও বেশি আসে ভারত থেকে। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে চালের উৎপাদন কম হওয়ায় গত মাসে বাসমতি ব্যতীত সব প্রকার সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, আভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারতের নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই বাড়তে শুরু করেছে চালের দাম। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে যে দামে চাল বিক্রি হচ্ছে, তা গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার পর আতপ চালের রপ্তানি বৃদ্ধি পাচ্ছিল। তাতে লাগাম টানতেই এই অতিরিক্ত রপ্তানি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করছেন ভারতীয় রপ্তানিকারকরা।
২০২২ সালে ৭৪ লাখ টন আতপ চাল রপ্তানি করেছিল ভারত।
নয়াদিল্লিভিত্তিক একটি চাল রপ্তানি সংস্থার ডিলার বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে সেদ্ধ চালের তুলনায় আতপ চালের দাম কম। গত মাসে সরকার সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর থেকে এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের কাছে আতপ চালের চাহিদা বাড়ছিল।’
কিন্তু অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শুল্ক জারির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় আতপ চালের দাম এখন থাইল্যান্ড ও পাকিস্তানের চালের সমপর্যায়ে চলে যাবে। তাই বেশি দামে চাল কেনা ছাড়া ক্রেতাদের সামনে আপাতত আর কোনো বিকল্প নেই।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি