এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট, ২০২৩, ০২:০৮ পিএম
পাকিস্তানে ভারতীয় দূতাবাসের প্রথম নারী প্রধান হলেন গীতিকা শ্রীবাস্তব
এম সুরেশ কুমারের পর ইসলামাবাদে চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) হলেন গীতিকা। এই দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যুগ্মসচিবের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ছিলেন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক পরিচালক।
ভারত এবং পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্কের জেরে বর্তমানে উভয় দেশেরই দূতাবাসে কোনও কমিশনার নেই। সিডিএ-ই হল পাকিস্তানে থাকা ভারতীয় দূতাবাসের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কূটনীতিক পদ। গীতিকা এক জন ভারতীয় আমলা। ২০০৫ ব্যাচের ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস (আইএফএস) অফিসার তিনি।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গীতিকা বিদেশি ভাষা শিক্ষার অংশ হিসাবে ‘ম্যান্ডারিন’ শেখার পর তাকে সরকারের তরফে চীনের ভারতীয় দূতাবাসে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে তিনি ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ভারতীয় কূটনীতিক হিসাবে চীনে কর্মরত ছিলেন।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের প্রথম ভারতীয় হাইকমিশনার হন শ্রী প্রকাশ। এর পর থেকে সেই পদে যারা ছিলেন তারা সকলেই পুরুষ। ১৯৪৭ সালের পর থেকে সেই পদে মোট ২২ জন ভারতীয় কূটনীতিক বসেছেন।
ইসলামাবাদে শেষ ভারতীয় হাইকমিশনার ছিলেন অজয় বিসারিয়া। ২০১৯ সালে ভারতে অনুচ্ছেদ ৩৭০ রদ করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার প্রতিক্রিয়া হিসাবে ভারতীয় হাই কমিশনের মর্যাদা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। তখনই অজয়ের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।
গীতিকার আগে ভারতের একাধিক মহিলা কূটনীতিক পাকিস্তানে দায়িত্ব পালন করলেও কেউ সর্বোচ্চ পদ পাননি।
ইসলামাবাদে থাকা ভারতীয় দূতাবাসে কাজ করা কঠিন বলে ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন আমলারা। কূটনীতিকদের পরিবার নিয়ে সে দেশে যাওয়ার অনুমতি দেয় না ভারত।
গীতিকা কবে ইসলামাবাদ গিয়ে ভারতীয় দূতাবাসে যোগ দেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই তিনি পাকিস্তান যাবেন। দিল্লির পাকিস্তান দূতাবাসেও সম্প্রতি নতুন সিডিএ পাঠিয়েছে সে দেশের সরকার।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি