এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:০৯ পিএম
বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী এখন চীনে, সুদূর নীল জলরাশিতে যার নজর
চীন বিশ্বের বৃহত্তম নৌবহর গড়ে তুলেছে। তার হাতে রয়েছে ৩৪০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ। এতোদিন পর্যন্তু চীনা নৌবাহিনীকে সবুজ পানির নৌবাহিনী বলে গণ্য করা হতো যার তৎপরতা প্রধানত দেশটির তীরবর্তী এলাকায় সীমিত ছিল।
তবে চীনের জাহাজা নির্মানের ঘটনায় দেশটির নীল-পানির উচ্চাভিলাষের বিষয় প্রকাশ পেয়েছে। সম্প্রতি বছরগুলোতে চীন বৃহৎ আকারের গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, উভচর জাহাজ ও বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করছে বেইজিং থেকে হজার হাজার মাইল দুরে মহাসাগরের উন্মুক্ত নীল পানিতে।
বৈশ্বিক সীমানার ওই সব নীল-পানিতে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পিপলস লিবারেশন আর্মির নৌবাহিনীর জন্য দরকার পুণ:জ্বালানী ভরা জাহাজ ও মেরামত যানসহ অন্যান্য সুবিধাপূরণের উপযোগী জাহাজ বহর।
ওয়াশিংটন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রাসিজ (এফডিডি) জানিয়েছে, কম্বোডিয়া ও অন্যান্য দেশে নৌঘাঁটি নির্মানে চীন সহায়তা করছে। এবং সুদুর আফ্রিকার আটলান্টিক উপকুলে নৌঘাঁটি ও নৌফাঁড়ি স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।
আজেন্টিনা ও কিউবার মতো দেশে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) স্থাপনাগুলো শক্তিশালী করার মাধ্যমে বেইজিং পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলোর আকাশ ও উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ এবং তাদের যোগাযোগের বিষয় অবহিত হওয়ার জন্য সব ধরণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এসব প্রচেষ্টার লক্ষ্য হচ্ছে চীনের সামরিক লক্ষ্যকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বর্তমানে আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে চীনের একটি নৌ ঘাঁটি রয়েছে। জলদস্যতা রোধ এবং আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে মানবিক কাজ করার জন্য এ ঘাটি পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে চীন।
চীনা কর্মকর্তারা বার বার বলে আসছেন যে, বেইজিং সম্প্রসারণ বা নিজের প্রভাব বলয় বাড়াতে চায় না। তারা বিদেশে ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করছে। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি