এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০১:০৯ পিএম
উত্তর কোরিয়ার ‘কৌশলগত পারমাণবিক হামলার’ মহড়া
পারমানবিক যুদ্ধের ভয়াবহ বিপদ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করে দিতে শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) এ হমড়া চালায় দেশটি। ‘কৌশলগত পারমাণবিক আক্রমণের’ অনুকরণে পরিচালিত উত্তর কোরিয়ার এই মহড়ায় দুটি দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এছাড়া উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন দেশটির জাহাজ নির্মাণ এবং যুদ্ধাস্ত্র কারখানা পরিদর্শন করেছেন। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং উত্তর কোরিার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রোববার জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক মহড়া সম্পন্ন হওযার পরপরই ‘কৌশলগত পারমাণবিক আক্রমণের’ অনুকরণে সামরিক মহড়া এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া।
গত আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু করে। উভয় দেশের ১১ দিনের সম্মিলিত এই সামরিক মহড়া গত বৃহস্পতিবার শেষ হয় এবং এর দুদিনের মাথায় এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে পিয়ংইয়ং।
দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যম দ্য কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানিয়েছে, ‘শক্রদের সতর্ক করার জন্য’ শনিবার ভোরে এই মহড়া চালানো হয়েছে। মূলত উত্তর কোরিয়া যে পারমাণবিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে প্রস্তুত থাকবে সেটি জানান দিতেই এই মহড়া চালানো হয়। ওয়াশিংটন এবং সিউলের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিরোধ জোরদার করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে পিয়ংইয়ং।
শনিবারের এই মহড়ার সময় নকল পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনকারী দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কোরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম উপকুল থেকে সাগরের দিকে নিক্ষেপ করা হয়। ১৫০ মিটারের পূর্বনির্ধারিত উচ্চতায় উঠে নিক্ষিপ্ত ওই ক্ষেপণাস্ত্র দুটি ১৫০০ কিলোমিটার (৯৩০ মাইল) পথ অতিক্রম করে।
ওয়াশিংটন এবং সিউলের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে উত্তর কোরিয়া । সামরিক সহযোগিতার আরও উন্নতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া গত মাসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এ চুক্তিরও কঠোর সমালোচনা করেছে পিয়ংইয়ং।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি