এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:০৯ পিএম
মানচিত্র বিতর্কের মাঝে ভারতে আসছেন না জিনপিং
গত ২৮ আগস্ট নিজেদের স্ট্যান্ডার্ড মানচিত্র প্রকাশ করে চীন যা নিয়ে শুরু হয় জোর বিতর্ক।
রিপোর্ট অনুযায়ী, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে শি জিনপিং-এর পরিবর্তে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং দেশটির প্রতিনিধিত্ব করবেন জি-২০ শীর্ষ বৈঠকে বলে সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাও নিং। শি জিন পিং-এর না আসার কোন কারণ দেখানো হয়নি।
এই নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'জিনপিং দিল্লিতে না আসায় আমি হতাশ। তবে আমর সঙ্গে তাঁর দেখা হতে চলেছে।'
উল্লেখ্য, আগামী নভেম্বরে আমেরিকার সান ফ্রান্সিস্কোতে অনুষ্ঠিত হবে এ্যাপেক কনফারেন্স। সেই সম্মেলনে দেখা হতে পারে বাইডেন ও শি জিনপিংয়ের। যদিও বাইডেন নিজের বক্তব্যে সেই সম্মেলনের কথাও বোঝাতে চেয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
এর আগে একাধিক ইস্যুতে চীন ও আমেকরিকার মধ্যে তিক্ততা বেড়েছে। তাইওয়ান, মার্কিন আকাশসীমায় চিনা বেলুনের মতো ইস্যুতে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। তবে সেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশই।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা চীন সফর করেছেন। এর মধ্যে আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন, জলবায়ু বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জন কেরি।
গত ২৮ আগস্ট নিজেদের 'স্ট্যান্ডার্ড' মানচিত্র প্রকাশ করে চীন। তাতে অরুণাচলপ্রদেশ এবং আকসাই চিনকে নিজেদের দেশের অংশ হিসেবেই দেখিয়েছে বেইজিং। এই নিয়ে ভারত কড়া আপত্তি জানায়। পরে ভারতের সঙ্গে সঙ্গে চীনের সেই মানচিত্রকে প্রত্যাখ্যান করে ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং ভিয়েতনাম।
এর আগে বিশ্বের দুই পরাশক্তির এই দুই প্রেসিডেন্টের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছে গত বছর ইন্দোনেশিয়ায়র সম্মেলনে। প্রথমদিকে শি জিনপিং বলেছিলেন, তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে যোগ দেবেন। কিন্তু তার উপস্থিতির বিষয়ে নিশ্চিত করতে পারেনি চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে মিলিত হন ব্রিকস নেতারা। সেখানে পশ্চিমা আধিপত্যের সমালোচনা করেন শি জিনপিং। উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ঔপনিবেশিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান। ব্রিকস হলো ব্রাজিল, রাশিয়া, ইন্ডিয়া, চায়না ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো উন্নত ৫টি দেশের সংগঠন।
জোহানেসবার্গ সম্মেলনে এতে যুক্ত হয়েছে আরও ৬টি দেশ। তারা হলো আর্জেন্টিনা, মিশর, ইরান, ইথিওপিয়া, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। আগামী ১লা জানুয়ারি থেকে তাদের সংযুক্তি কার্যকর হবে। একে দেখা হচ্ছে বেইজিংয়ের বড় রকম কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি