ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফরম্যাট, দল, ভেন্যু ও খেলার নিয়ম


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৭:০৯ পিএম

২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফরম্যাট, দল, ভেন্যু ও খেলার নিয়ম

 ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফরম্যাট, দল, ভেন্যু ও খেলার নিয়ম

ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম সংস্করণ আয়োজনে প্রস্তুত ভারত। আগামী ৫ অক্টোবর দেশটির আহমেদাবাদের আইকনিক নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে পর্দা উঠবে ২০২৩ আসরের। উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে ২০১৯ বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।

ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়,  এ নিয়ে ক্রিকেট ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো ৫০ ওভারের শোপিস ইভেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে ভারত। চলুন এবার একনজরে দেখে নিই আসন্ন বিশ্বকাপের ফরম্যাট, দল, ভেন্যু ও খেলার নিয়ম।

দল: চলতি বছর বিশ্বকাপে মোট ১০ দল অংশগ্রহণ করবে। সেগুলো হলো ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। এর মধ্যে ৯টি বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির স্থায়ী সদস্য। আর ১টি সহযোগী দল (নেদারল্যান্ডস)।

ফরম্যাট: এবার খেলা হবে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে। অর্থাৎ প্রত্যেক দল একে অপরের মোকাবিলা করবে। ফলে লিগ পর্বে ম্যাচ হবে ৪৫টি। সেখানে থেকে সেরা ৪ দল সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ হবে।  এর মধ্য থেকে বিজয়ী ২ টিম আসছে ১৭ নভেম্বর ফাইনালে স্বপ্নের শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে।

# প্রত্যেক ম্যাচ হবে দুই সেশনে। এক সেশনের জন্য ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে। মাঝখানে ৪৫ মিনিট বিরতি থাকবে।

# টসের ঠিক আগমুহূর্তে সেরা একাদশ প্রকাশ করতে পারবেন অধিনায়করা।

# একজন বোলার সর্বোচ্চ ১০ ওভার বোলিং করতে পারবেন। তবে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ওভার কমতে পারে। সেক্ষেত্রে ১ ইনিংসে নিজের কোটার মোট ওভারের এক-পঞ্চমাংশ বা ২০ শতাংশের বেশি বোলিং করতে পারবেন না তিনি।

# প্রথম পাওয়ার প্লে’তে (১০ ওভার) মাত্র ২ ফিল্ডার ৩০ গজ বৃত্তের বাইরে থাকতে পারবেন। দ্বিতীয় পাওয়ার প্লে’তে (১১ থেকে ৪০ ওভার)  ৪ ফিল্ডার সেই সুযোগ পাবেন। আর তৃতীয় পাওয়ার প্লে’তে (৪১ থেকে ৫০ ওভার)  ৫ ফিল্ডার ওই অনুমতি পাবেন।

# লিগ পর্বে কোনও ম্যাচ টাই হলে সেটি সুপার ওভারে গড়াবে না। তবে নকআউট পর্বে সেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেমিফাইনালের কোনও ম্যাচ অথবা ফাইনাল টাই হলে সুপার ওভারে নিষ্পত্তি হবে।

# বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতি (ডিএলএস) কার্যকর হবে। উভয় দল কমপক্ষে ২০ ওভার করে খেললে এই পদ্ধতিতে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। এর কম হলে দুই দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে দেয়া হবে। সেই সঙ্গে ম্যাচটি বাতিল বা পরিত্যক্ত বলে গণ্য হবে।

# সেমির জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে। ফাইনালেও সেই ব্যবস্থা থাকছে। নির্ধারিত তারিখে খেলা না হলের পরের দিন হবে। এক্ষেত্রে প্রথম দিন যেখান থেকে শেষ হবে, পরের দিন সেখান থেকে শুরু হবে।

এবার ভারতজুড়ে মোট ১০ ভেন্যুতে খেলা হবে। সেগুলো হলো- নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম (আহমেদাবাদ), রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম (হায়দরাবাদ), হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম (ধরমশালা), অরুন জেটলি স্টেডিয়াম (নয়াদিল্লি), এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম (চেন্নাই), ভারত রত্ন শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ি একানা ক্রিকেট স্টেডিয়াম (লক্ষ্ণৌ), মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম (পুনে), ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম (মুম্বাই), এম চিনাস্বামী স্টেডিয়াম (বেঙ্গালুরু) এবং ইডেন গার্ডেন্স (কলকতা)। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি