এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর, ২০২৩, ০৩:১০ পিএম
এবারের বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানের সামনে রেকর্ডের হাতছানি
সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে গত ১৭ বছর ধরে খেলছেন। দেশের জার্সিতে রেকর্ডের শেষ নেই তারকা এই ক্রিকেটারের। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপেও বেশকিছু রেকর্ডের হাতছানি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের সামনে।
বাংলাদেশের হয়ে চারটি বিশ্বকাপ ইতোমধ্যে খেলে ফেলছেন সাকিব। তাতে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় নয়ে আছেন টাইগার এই অলরাউন্ডার। তবে খুব দ্রুতই এখান থেকে বেশ উপরে উঠে আসার সুযোগ রয়েছে টাইগার অধিনায়কের।
ওয়ানডে বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ২৯ ম্যাচ খেলে ১ হাজার ১৪৬ রান করেছেন সাকিব। এর মধ্যে শুধু ২০১৯ বিশ্বকাপেই করেছেন ৬০৬ রান। তাতেই সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় উপরে ওঠার পথটা সহজ হয়ে গেছে সাকিবের। টাইগার অলরাউন্ডারের সামনে সহজ সুযোগ এই তালিকার পাঁচে উঠে আসার।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে পঞ্চম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হতে সাকিবের লাগবে আর ৬২ রান। প্রথম দুই-তিন ম্যাচে মোটামুটি রান পেলেও সহজেই সেই মাইলফলকে পৌঁছে যাবেন টাইগার অধিনায়ক। টপকে যাবেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ব্যাটার এ বি ডি ভিলিয়ার্সকে। প্রোটিয়াদের হয়ে ৪টি বিশ্বকাপ খেলা ডিভিলিয়ার্সের মোট রান ১ হাজার ২০৭।
নকআউট পর্বের আগে অন্তত ৯টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। প্রায় সবগুলো ম্যাচে ভালো ব্যাটিং করলে বিশ্বকাপের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও হয়ে যেতে পারেন সাকিব। এই অবস্থানে এখন আছেন শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি কুমারা সাঙ্গাকারা। চার বিশ্বকাপ খেলে ১ হাজার ৫৩২ রান করেছেন তিনি। তাকে টপকাতে হলে সাকিবকে করতে হবে অন্তত ৩৮৭ রান।
গত বিশ্বকাপে সাকিব ৬০৬ রান করেছেন। এবার যদি তিনি ৬০০ রান করতে পারেন, তাহলে সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হতে পারবেন তিনি। বিশ্বকাপে মোট ৪৬ ম্যাচ খেলে ১ হাজার ৭৪৩ রান করেছেন পন্টিং।
বিশ্ব আসরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের মালিক শচীন টেন্ডুলকার। পাঁচটি টুর্নামেন্ট খেলে ৪৫ ম্যাচে ২ হাজার ২৭৮ রান করেছেন কিংবদন্তি এই ব্যাটার। শচীনের এই রেকর্ড ভাঙা অনেকটা অসম্ভব প্রায়ই সাকিবের জন্য।